• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে মধ্যরাতে ভয়াবহ আগুন, পুড়ে ছাই ৯ দোকান ও অটোরিকশার গ্যারেজ সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে ৫ বছরের শিশুর মৃত্যু, আতঙ্ক বাড়ছে সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে এক যুবকের মৃত্যু, ৭ দিনে হাসপাতালে ভর্তি ২৪ অপপ্রচারের প্রতিবাদে সীতাকুণ্ড জাফর নগর অর্পণা চরণ উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ৭ মাসে ধর্ষণের শিকার ৬৪১ নারী-শিশু, আইনি ও সামাজিক সুরক্ষায় সমন্বয়ের তাগিদ ১৭ সেপ্টেম্বর থিয়েটার ইনস্টিটিউটে ‘ছায়াছন্দ’,সত্তর ও আশির দশকের চলচ্চিত্রের গানের সুরের মূর্ছনা সীতাকুণ্ডে রাস্তা বন্ধ করায় শত মানুষের ভোগান্তি, ইউএনও’র হস্তক্ষেপ দাবি জুলাই অভ্যুত্থান: ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড, সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ সীতাকুণ্ডের ওসি মহিনুল ইসলাম ফের চট্টগ্রাম জেলার শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ সীতাকুণ্ড – সন্দ্বীপ রুটে ফেরি ও সিট্রাক চালুর উদ্যোগ

৭ মাসে ধর্ষণের শিকার ৬৪১ নারী-শিশু, আইনি ও সামাজিক সুরক্ষায় সমন্বয়ের তাগিদ

পোস্টকার্ড ডেস্ক ।। / ২৯ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে (জানুয়ারি–জুলাই) দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের চিত্র অত্যন্ত উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, এই ৭ মাসে ৪০০ নারী ও ২৪১ শিশুসহ মোট ৬৪১ জন ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত ‘নারী, শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার ও সেবা প্রদান জোরদারকরণ’ শীর্ষক সংলাপে এ ভয়ংকর চিত্র তুলে ধরা হয়। আসকের নির্বাহী পরিচালক তাহমিনা রহমানের সভাপতিত্বে এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

সাত মাসে নির্যাতনের পরিসংখ্যান:

  • নারী নির্যাতন: এই সময়ে ৪০০টি নারী ধর্ষণ, ৩৭টি ধর্ষণ ও হত্যা এবং ১৫২টি ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এছাড়া নারী ও কিশোরীদের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্তের ১৯১টি ঘটনা ঘটে।

  • শিশু সহিংসতা: শিশুদের বিরুদ্ধে মোট ৬০৬টি সহিংসতার ঘটনার মধ্যে ২৪১টি ধর্ষণ এবং ২১৩টি শিশু হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

  • মানব পাচার: ২০২৫ সালে এ সংক্রান্ত ১ হাজার ১২৬টি নতুন মামলা হয়েছে এবং ২০২৬ সালের মে পর্যন্ত বিচারাধীন বা তদন্তাধীন মামলার সংখ্যা ৫ হাজার ২৮৪টি।

সংলাপে অংশ নেওয়া অংশীজনরা জানান, নারী ও শিশু সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি সেবা ও সহায়তা ব্যবস্থার মধ্যে এখনো বড় ধরনের সমন্বয়হীনতা রয়েছে। বিশেষ করে গ্রাম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ আইনি সহায়তা ও সুরক্ষা সেবা সম্পর্কে সচেতন না থাকায় প্রয়োজনের সময় সেবা থেকে বঞ্চিত হন। এছাড়া আইনি সহায়তা, চিকিৎসা, মনোসামাজিক সহায়তা ও পুনর্বাসন সেবাগুলো বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত হওয়ায় ভুক্তভোগীদের এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে ঘুরে সময় ও অর্থ অপচয় হয়।

জাতীয় আইনি সহায়তা অধিদফতরের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ১৮ লাখ ৪৬ হাজার ৭৯৯ জন আইনি সহায়তা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমে উপকৃত হয়েছেন। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট কার্যালয় থেকে ৩১ হাজার ২২২ জন এবং ৬৪টি জেলা কার্যালয় থেকে ১৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন সেবা পেয়েছেন। তবে মূল নিবন্ধে উল্লেখ করা হয়, আবেদন প্রক্রিয়া জটিল ও সময়সাপেক্ষ এবং অনুমোদনকারী কমিটির নিয়মিত সভার অভাবে অনেক সময় দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়।

বাংলাদেশ আইনগত সহায়তা অধিদফতরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ রেজমিন সুলতানা বলেন, অধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধই প্রকৃত সুরক্ষা এবং দ্রুত প্রতিকারের জন্য সব প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। সংলাপে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মোছা. লিজা বেগম, আইভী আক্তার, ডা. তাইয়েবা সুলতানা, কামরুন্নাহার, প্রবীর দত্ত ও ক্যাটরিনা কইনিগ।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..