• শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
জনবল সংকটে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ব্যাহত চিকিৎসাসেবা ওসিবিহীন বার আউলিয়া হাইওয়ে থানা, সার্জেন্টের কাঁধে ব্যস্ত মহাসড়কের নিরাপত্তা সীতাকুণ্ডে নতুন পানি সরবরাহ প্রকল্প, আট বছর পর ফের উদ্যোগ মস্কোয় প্রযুক্তি ফোরামে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন কালুখালীর রুমি সীতাকুণ্ডে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন, শহীদ হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি মেঘমল্লার খেলাঘরের আয়োজনে রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত জন্মজয়ন্তী ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত সীতাকুণ্ডে অবৈধ বালু উত্তোলন না করায় ড্রেজার আটকে চাঁদাবাজি, থানায় অভিযোগ সার চোরাচালানে মামলা না হওয়ায় আদালতের ক্ষোভ ও তদন্তের নির্দেশ শরতের সীতাকুণ্ডে মেঘ-পাহাড়ের মিতালি, রূপকাব্য মূর্ত হয়ে ওঠে প্রকৃতির কোলে মালয়েশিয়ায় পিএইচডি করতে যাচ্ছেন আইআইইউসির ১৫ শিক্ষক-কর্মকর্তা

সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪০ দোকান ভস্মীভূত, দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

পোস্টকার্ড ডেস্ক ।। / ১৪৩ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৪০টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি অনুযায়ী আনুমানিক দেড় কোটি টাকারও বেশি সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের কদমরসুল বাজারে এই দুর্ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট টানা কয়েক ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আগুন সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে বাজারের একটি দোকান থেকে (প্রাথমিকভাবে লেপ-তোষকের দোকান বলে ধারণা) আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং আশপাশের মুদি, ফার্নিচার, হার্ডওয়্যার, সেলুন, দুটি ফার্মেসি ও চায়ের দোকানসহ ৪০টি দোকান গ্রাস করে। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা প্রথমে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালান এবং ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

কুমিরা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মো. আল মামুন জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট (কুমিরা স্টেশনের দুটি ও চট্টগ্রাম আগ্রাবাদ স্টেশনের একটি) যৌথভাবে কাজ করে আগুন নেভায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই এই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে ব্যবসায়ীরা ৪০টি দোকান পুড়ে যাওয়ার কথা বললেও ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক হিসাবে ৩০টি দোকান পুরোপুরি ভস্মীভূত হয়েছে বলে জানানো হয়। ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত হিসাব নিরূপণে তদন্ত চলছে।

অগ্নিকাণ্ডে ফার্নিচার, হার্ডওয়্যার ও অন্যান্য খুচরা ব্যবসায়ীসহ বাজারের অন্তত ৪০ জন ব্যবসায়ী সর্বস্ব হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত ফার্নিচার ব্যবসায়ী শাহ আলম অশ্রুসজল চোখে বলেন, “আজ দুটি বিয়ে অনুষ্ঠানের ফার্নিচার ডেলিভারি দেওয়ার কথা ছিল। চার লাখ টাকা মূল্যের সেই ফার্নিচারসহ আমার দোকানের সবকিছু চোখের সামনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।”

অপর এক ক্ষতিগ্রস্ত হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী মাওলানা মোহাম্মদ ইয়াকুব জানান, “প্রায় এক যুগ আগে আমার বাবা এই দোকানটি গড়ে তুলেছিলেন। আজ ভয়াবহ আগুনে আমাদের শেষ সম্বল ও সব মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।”

ভোরের এই অগ্নিকাণ্ডে জীবিকার একমাত্র সম্বল হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন কদমরসুল বাজারের ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য উপজেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদ এবং সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে জরুরি আর্থিক সহায়তা ও দ্রুত পুনর্বাসনের জন্য বিনীত জোর দাবি জানিয়েছেন।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..