• বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন: শহীদ হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি সীতাকুণ্ডে অবৈধ বালু উত্তোলন না করায় ড্রেজার আটকে চাঁদাবাজি, থানায় অভিযোগ সার চোরাচালানে মামলা না হওয়ায় আদালতের ক্ষোভ ও তদন্তের নির্দেশ শরতের সীতাকুণ্ডে মেঘ-পাহাড়ের মিতালি, রূপকাব্য মূর্ত হয়ে ওঠে প্রকৃতির কোলে মালয়েশিয়ায় পিএইচডি করতে যাচ্ছেন আইআইইউসির ১৫ শিক্ষক-কর্মকর্তা ক্যান্সার গবেষক ডাঃ এস এম সরওয়ারকে ডিজিটাল ফিউচার মিডিয়া ক্লাবের সংবর্ধনা ‘আজকের কাজ আজই শেষ করা পবিত্র দায়িত্ব’, কঠোর বার্তা চট্টগ্রাম ডিসির চট্টগ্রামের ৪ উপজেলার এসিল্যান্ড প্রত্যাহার সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মনসুরের শোকসভা, ‘তিনি ছিলেন অকুতোভয় দেশপ্রেমিক ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্পষ্টভাষী’—আসলাম চৌধুরী বাড়বকুণ্ডে তরুণ উদ্ভাবকদের মেলা, ‘কোয়ার্ক বিজ্ঞান ক্লাব’-এর আয়োজনে ‘রোবোসেল’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন

বৃহত্তর চট্টগ্রামে ৭ ‘সাব-জেল’ তৈরি করতে চায় কারা কর্তৃপক্ষ

পোস্টকার্ড বিডি ডেস্ক / ১৭৪ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বৃহত্তর চট্টগ্রামে ৭ ‘সাব-জেল’ তৈরি করতে চায় কারা কর্তৃপক্ষ

চট্টগ্রাম বিভাগের সাত উপজলায় ‘সাব-জেল’ নির্মাণ করতে চায় কারাগার কর্তৃপক্ষ। এতে করে কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দিদের চাপ কমবে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে জেলায় তিনটি, নোয়াখালীতে ও বান্দরবানে একটি এবং কক্সবাজারে দুটি কারাগার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বিভাগের উপজেলাগুলোতে চৌকি আদালত থাকার পরও আদালতে হাজিরা দিতে বন্দিদের নিয়মিত জেলা বা শহরের কারাগার থেকে আনা-নেওয়া করা হয়। এতে সময় ও অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি নিরাপত্তা ঝুঁকিও থাকে।

বর্তমানে চট্টগ্রাম বিভাগে ১২টি কারাগার রয়েছে। এর মধ্যে দুটি কেন্দ্রীয় কারাগার। চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ধারণক্ষমতা ২ হাজার ২৪৯ জন। কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে ১ হাজার ৭৪২ জন, রাঙামাটি জেলা কারাগারে ১৪৫, বান্দরবান জেলা কারাগারে ১১৪ জন, খাগড়াছড়ি জেলা কারাগারে ৮১ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে ৭৮০, কক্সবাজার কারাগারে ৮৩০, চাঁদপুর কারাগারে ৪৭৫, নোয়াখালী কারাগারে ৫০০, লক্ষ্মীপুর কারাগারে ২৯৫, ফেনী জেলা কারাগার-১ এর বন্দি ধারণ ক্ষমতা ৩৯২ ও কারাগার-২ এর ধারণ ক্ষমতা ১৭২ জন।

পুরো চট্টগ্রাম বিভাগের কারাগারগুলোতে গড়ে ১২ থেকে ১৫ হাজার বন্দি অবস্থান করেন। সেখানে প্রতিদিন প্রায় ৭ হাজার বন্দি থাকে।

উপজেলাগুলোতে সাব-জেল নির্মাণ করা হলে সেখানকার আদালতের আসামিদের সেখানেই রাখা সম্ভব হবে। এতে বন্দিদের আনা-নেওয়ার ভোগান্তি কমবে এবং জেলা শহরের কারাগারগুলোর ওপর চাপও কমবে।

চট্টগ্রাম বিভাগের কারা উপ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি-প্রিজন্স) মো. ছগির মিয়া জানান, ব্রিটিশ আমলে বিচারিক কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার জন্য চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলার উপজেলাগুলোতে চৌকি আদালত স্থাপন করা হয়। সেখানে সাব-জেল নির্মাণের জন্য কারা অধিদপ্তরে প্রস্তাবনাটা দেওয়া হয়েছে। চৌকি আদালতগুলোতে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তাই সেসব আদালতের আসামিদের শহরে না এনে সাব জেলে রাখা গেলে ভোগান্তি কমে আসবে। এতে করে নিরাপত্তা ঝুঁকি কম থাকবে এবং কর্মঘণ্টার অপচয় রোধ হবে। পরিকল্পিতভাবে এসব কারাগার নির্মাণ করা গেলে বন্দিদের ধারণক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্য তৈরি হবে এবং জেলা শহরের কারাগারগুলোর ওপর চাপ কমবে।

খালেদ / পোস্টকার্ড ; 


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..