• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৭ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
নেপালের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে দেখছে বিসিবি, সিরিজ হতে পারে ২০২৭-এর মধ্যেই উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত সীতাকুণ্ডের রমজান আলীর দাফন সম্পন্ন নারীদের কাছে জনপ্রিয়তা হচ্ছে জেলপলিশ, ব্যবহার কতটা ঝুঁকিপূর্ণ? ১৪ ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে অনলাইনে প্রতারণা করা বিদেশি চক্রের ৬৩ সদস্য গ্রেপ্তার মাদকবিরোধী কমিটি করায় ৬ জন কারাগারে, সীতাকুণ্ডে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন জটিল হৃদরোগ চিকিৎসায় এগোচ্ছে চট্টগ্রাম, আট মাসে ৩ হাজার পিটিসিএ পরকীয়া ও চুরির অভিযোগে প্রবাসীর ফ্ল্যাট থেকে ডিএমপি এসআই গ্রেপ্তার, পাঠানো হলো কারাগারে অনলাইন জুয়ার দেনা মেটাতে নিজের অপহরণের নাটক, সীতাকুণ্ড থেকে যুবক উদ্ধার রাসূলের (দ.) প্রতি মুহাব্বত ছাড়া কোনো ইবাদত আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না : জুমার বয়ানে আল্লামা সাবির শাহ

পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত সীতাকুণ্ডের রমজান আলীর দাফন সম্পন্ন

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি ।। / ২৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে কাস্টম হাউসে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত বাংলাদেশি নাগরিক রমজান আলীর (৫২) মরদেহ অবশেষে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। গত শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নের নডালিয়া এলাকায় জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।

পরিবারসূত্রে জানা যায় ,নিহত রমজান আলী দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানে বসবাস করে আসছিলেন এবং বেলুচিস্তানের পিশিন জেলার জিয়ারত ক্রস এলাকায় কাস্টম হাউসে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন। পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ও সংবাদমাধ্যম ডনের তথ্য অনুযায়ী, গত ৩১ আগস্ট রাতে ওই কাস্টম হাউসে সন্ত্রাসীরা সমন্বিত হামলা চালায়। এই হামলায় পাঁচজন নিরাপত্তাকর্মী ও একজন কাস্টমস কর্মকর্তাসহ মোট ছয়জন নিহত হন এবং পাল্টা অভিযানে ১০ হামলাকারী নিহত হয়।

চার ভাই ও দুই বোনের মধ্যে রমজান ছিলেন তৃতীয়। মাত্র ১৮ বছর বয়সে (১৯৮৯ সালে) তিনি পাকিস্তানে চলে যান এবং সেখানে অবিবাহিত অবস্থায় একা বসবাস করতেন। মৃত্যুর কিছুদিন আগে থেকেই তিনি দেশে স্থায়ীভাবে ফিরে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন এবং চলতি সপ্তাহেই তাঁর দেশে ফেরার কথা ছিল।

রমজান আলীর জানাজায় প্রতিবেশী ও স্বজনেরা

তাঁর ছোট বোন মঞ্জুরা বেগম জানান, মৃত্যুর মাত্র পাঁচ দিন আগেও ফোনে কথা বলার সময় রমজান আতঙ্ক প্রকাশ করে বলেছিলেন, “বোন, এখানে কয়েক দিন ধরে ভয়ংকর গোলাগুলি হচ্ছে। আতঙ্কে আছি, থাকব না এখানে, দেশে চলে যাব।” কিন্তু জীবন্ত ফিরে আসার সেই আকুতি অধরাই থেকে গেল; শেষ পর্যন্ত কফিনবন্দি হয়ে লাশ হয়েই তাঁকে ফিরতে হলো জন্মভূমিতে।

পাকিস্তান সরকারের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) পাওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তাঁর মরদেহ ঢাকায় পৌঁছায় এবং পরে অ্যাম্বুলেন্সে করে সীতাকুণ্ডের গ্রামের বাড়িতে নেওয়া হয়। ছোটবেলায় ভাইয়ের চেহারা ভুলে যাওয়া বোন মঞ্জুরা বেগম লাশ হয়ে ফেরা ভাইকে শেষবারের মতো দেখতে পাওয়ার সান্ত্বনাটুকুই সম্বল করেছেন এবং মরদেহ দেশে পাঠাতে সহায়তাকারী বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

খালেদ / পোস্টকার্ড ; 


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..