• বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে তরুণীকে অপহরণ ও দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ২, পলাতক ১ সীতাকুণ্ডে মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বৈদ্যুতিক পোলে ধাক্কা, মা-মেয়ে নিহত মহানবমীতে উৎসবের আমেজ,কাল বিজয়া দশমীতে বিসর্জনের প্রস্তুতি আগ্রাবাদ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ৩৫ শিশুর বিনামূল্যে ঠোঁট ও তালু কাটা সার্জারি ক্যাম্প ২৩ অক্টোবর সীতাকুণ্ডে শারদীয় দুর্গাপূজার আলোচনা সভা: অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য — লায়ন আসলাম চৌধুরী সীতাকুণ্ডে নিষিদ্ধ জাল জব্দ, মা ইলিশ রক্ষায় যৌথ অভিযান প্রফেসর শায়েস্তা খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, স্মরণসভায় শ্রদ্ধা জানাবে ক্রীড়া ও শিক্ষাঙ্গন গণঅভ্যুত্থানকে বিতর্কিত না করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সীতাকুণ্ড পৌর সদর বাজারে খাসজমির ১৮ দোকান ইজারা জটিলতা, ফুটপাত দখলে বাড়ছে যানজট সীতাকুণ্ডে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রতিনিধিদের ক্ষোভ

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ লেখা যাবে না: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

ঢাকা অফিস, পোস্টকার্ড ।। / ১৪১ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সরকারের দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র এবং সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার না করার নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি করা এক জরুরি পরিপত্রে এই তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ পরিপত্রটিতে স্বাক্ষর করেন।

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ প্রেরণের ক্ষেত্রে পদবির পূর্বে সম্মানসূচক শব্দ হিসেবে যথাক্রমে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতরূপে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। অর্থাৎ, এখন থেকে সরকারি নথিপত্রে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ বা ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতি’ না লিখে কেবল ‘প্রধানমন্ত্রী’ বা ‘রাষ্ট্রপতি’ পদবিটি সরাসরি উল্লেখ করতে হবে।

সরকারের দাপ্তরিক যোগাযোগ ও নথিপত্রে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদধারীদের সম্বোধনের ক্ষেত্রে আধুনিকতা বজায় রাখা এবং একটি অভিন্ন সহজ রীতিনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়।

পরিপত্রে এই সিদ্ধান্তটিকে ‘অতীব গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এটি অনতিবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনাটি ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিব, সকল বিভাগীয় কমিশনার, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক (DC) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (UNO) কাছে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সচিবদের তাঁদের অধীনস্থ সকল দপ্তর ও সংস্থাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও যথাযথ নির্দেশনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..