• মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১১ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
মহানবমীতে উৎসবের আমেজ,কাল বিজয়া দশমীতে বিসর্জনের প্রস্তুতি আগ্রাবাদ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ৩৫ শিশুর বিনামূল্যে ঠোঁট ও তালু কাটা সার্জারি ক্যাম্প ২৩ অক্টোবর সীতাকুণ্ডে শারদীয় দুর্গাপূজার আলোচনা সভা: অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য — লায়ন আসলাম চৌধুরী সীতাকুণ্ডে নিষিদ্ধ জাল জব্দ, মা ইলিশ রক্ষায় যৌথ অভিযান প্রফেসর শায়েস্তা খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, স্মরণসভায় শ্রদ্ধা জানাবে ক্রীড়া ও শিক্ষাঙ্গন গণঅভ্যুত্থানকে বিতর্কিত না করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সীতাকুণ্ড পৌর সদর বাজারে খাসজমির ১৮ দোকান ইজারা জটিলতা, ফুটপাত দখলে বাড়ছে যানজট সীতাকুণ্ডে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রতিনিধিদের ক্ষোভ চট্টগ্রামে দেওয়ানহাট ব্রিজের নিচে রেললাইনের নাট-বল্টু চুরি, যেকোনো মুহূর্তে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শঙ্কা রেলওয়ের জমি দখল, সাবেক এমপি রুহেলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সার চোরাচালানে মামলা না হওয়ায় আদালতের ক্ষোভ ও তদন্তের নির্দেশ

পোস্টকার্ড ডেস্ক ।। / ৮৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সীতাকুণ্ডে মিয়ানমারে পাচারের সময় ৩৫ হাজার কেজি ইউরিয়া সার ও তিনটি ট্রাকসহ দুই পাচারকারীকে আটকের পর থানায় কোনো মামলা না করায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আদালত। ঘটনাটিকে গুরুতর চোরাচালান অপরাধ হিসেবে আমলে নিয়ে সীতাকুণ্ড আমলী আদালত-০৭-এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ মো. সাখাওয়াত হোসেন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি বিবিধ মামলা দায়ের করেছেন। একই সঙ্গে আগামী ১৮ অক্টোবরের মধ্যে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ সরেজমিন তদন্ত করে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের (পূর্ব জোন, চট্টগ্রাম) আইন কর্মকর্তা মাসুম রেজাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ১০ সেপ্টেম্বর রাতে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ঘাট এলাকায় কোস্টগার্ডের বিশেষ অভিযানে ৭০০ বস্তায় মোট ৩৫ হাজার কেজি ইউরিয়া সার এবং তিনটি ট্রাক জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে সে সময় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হলেও দীর্ঘ দিনেও সীতাকুণ্ড থানায় কোনো মামলা বা এজাহার দায়ের করা হয়নি। বিষয়টি আদালতের নজরে এলে ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা অনুযায়ী অত্যন্ত গুরুতর এই অপরাধের বিষয়ে আইনি পদক্ষেপে বিলম্ব হওয়ায় আদালত এই কঠোর অবস্থান নেন।

তদন্তের অংশ হিসেবে আদালত ছয়টি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে সরেজমিন অনুসন্ধানের নির্দেশনা দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে প্রকাশিত সংবাদের সত্যতা যাচাই, প্রকৃত ঘটনাস্থল নির্ধারণ করে খসড়া মানচিত্র অঙ্কন, অভিযানে অংশ নেওয়া কোস্টগার্ড সদস্যদের নাম-পরিচয় ও ১৬১ ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড, জব্দতালিকা সংগ্রহ এবং আটক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে গ্রেপ্তারি স্মারক তৈরির বিষয়টি নিশ্চিত করা। এছাড়া স্পেশাল পাওয়ার্স অ্যাক্টের ২৫-বি ধারার অপরাধের উপাদানগুলোও সুনির্দিষ্টভাবে নির্ণয় করতে বলা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী কোস্টগার্ড কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার বা মালামাল জব্দ করলে তা দ্রুত নিকটবর্তী থানায় সোপর্দ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অথচ সম্প্রতি পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সে কোস্টগার্ডের আইন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে মাদক ও চোরাচালান রোধে করণীয় বিষয়ে আলোচনা হওয়ার পরও এমন গুরুতর বিষয়ে মামলা না হওয়ায় আদালত বিস্ময় প্রকাশ করেন। এই আদেশের অনুলিপি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, কোস্টগার্ডের অধিনায়ক এবং সীতাকুণ্ড থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) কাছে পাঠানো হয়েছে।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..