ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সীতাকুণ্ড-কুমিরা অংশে দিন-রাত ভারী ও দ্রুতগতির যানবাহনের বিরামহীন চাপ থাকলেও চরম জনবল সংকটের কারণে বার আউলিয়া হাইওয়ে থানায় বর্তমানে কোনো পূর্ণাঙ্গ ওসি বা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নেই। নিয়মিত ওসি বদলি হওয়ার পর নতুন কেউ পদায়ন না হওয়ায় এবং পরবর্তী দায়িত্বপ্রাপ্ত এসআই ছুটিতে থাকায় বাধ্য হয়ে একজন সার্জেন্টের ওপরই থানার প্রশাসনিক কাজসহ ব্যস্ততম এই মহাসড়কের সার্বিক দায়িত্ব এসে পড়েছে।
শিল্প ও বাণিজ্যিক যোগাযোগের প্রাণকেন্দ্র এই মহাসড়কে প্রতিদিন ভারী শিল্পকারখানা, জাহাজভাঙা শিল্পের পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও বন্দরমুখী যানবাহনের পাশাপাশি অসংখ্য দূরপাল্লার বাস ও ছোট গাড়ি চলাচল করে। অতিরিক্ত গতি, ফিডার রোড থেকে হঠাৎ গাড়ি উঠে আসা এবং অনিয়ন্ত্রিত পার্কিংয়ের কারণে এখানে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। এর প্রভাব সম্প্রতি স্পষ্টভাবে দেখা যায়, গত ২৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে সীতাকুণ্ডের কলাবাড়িয়া এলাকায় একটি দ্রুতগামী প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আইল্যান্ডে উঠে গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খেলে চালকসহ দুজন গুরুতর আহত হন।
সীমিত জনবল ও নেতৃত্বের এই ঘাটতির কারণে মহাসড়কের নিয়মিত টহল এবং আইন প্রয়োগ শিথিল হয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা যেকোনো বড় দুর্ঘটনা এড়াতে ও নজরদারি জোরদার করতে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ ওসি পদায়নের দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে চট্টগ্রাম সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. ফকরুল আলম জানান, লোকবল সংকটের বিষয়টি স্বীকার করে এই গুরুত্বপূর্ণ থানায় দ্রুত ওসি পদায়নের জন্য ইতিমধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।
খালেদ / পোস্টকার্ড ;