• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে ফকিরহাট ফকির সংযোগ সড়কে দুর্ভোগ চরমে, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ সীতাকুণ্ডে যুবদলকর্মী বাপ্পি হত্যা মামলায় মূল আসামিসহ গ্রেপ্তার ৬, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার সীতাকুণ্ডে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, চীনা নাগরিকসহ ১৭ জনকে জিম্মি করে ২০ লাখ টাকা লুট সীতাকুণ্ডের বৌদ্ধ পুকুরে ভেসে উঠল পচাগলা মরদেহ, এলাকায় চাঞ্চল্য যুবকল্যাণ তহবিলের অনুদান পেল ‘আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজ’,সমাজ উন্নয়নে নতুন প্রেরণা সীতাকুণ্ডে জরাজীর্ণ সোনাইছড়ি সড়ক, চরম দুর্ভোগে হাজার হাজার বাসিন্দা সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে কলেজছাত্রীর মৃত্যু দুর্বৃত্তদের গুলিতে সীতাকুণ্ডে এক যুবক নিহত, আহত ১ সীতাকুণ্ডে ৭৪টি মণ্ডপে মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু দুর্গোৎসব, পাড়ায় পাড়ায় সাজসাজ রব সীতাকুণ্ডে লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে ৪ শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান

কুবি শিক্ষকের ছেলের নৃশংস হত্যাকাণ্ড: যেভাবে মিলল অপ্রতীমের লাশ, আইফোন ছিনতাইয়ে হত্যার সন্দেহ

পোস্টকার্ড ডেস্ক ।। / ১০৬ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতীমের (১৩) ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার গহীন জঙ্গল থেকে শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে এবং তার কাছে থাকা মায়ের দামী আইফোনটি নিখোঁজ থাকায় ফোনটি ছিনিয়ে নিতেই তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক ধারণায় জানিয়েছে পুলিশ ও চিকিৎসকরা।

নিহত অপ্রতীম কোটবাড়ি এলাকার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। সে তার মা-বাবার সাথে কোটবাড়ি এলাকায় বসবাস করত। গত শুক্রবার দুপুরে বন্ধুদের সাথে ছবি তোলার কথা বলে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ ছিল সে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর পরিবার কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করলে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণসহ অনুসন্ধানে নামে।

শনিবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকায় (ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পাশে) কাজ করার উদ্দেশ্যে বাঁশ কাটতে গিয়ে প্রথম শিশুটির মরদেহ দেখতে পান মোহাম্মদ আবদুল কাদের জিলানী নামের স্থানীয় এক শ্রমিক। তিনি জানান, সঙ্গে থাকা ভাতিজা প্রথমে একটি শিশুকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাকে ডাক দেয়। মাথায় রক্ত দেখে ভয় পেয়ে তারা বাঁশ কাটার কাজ ফেলে দ্রুত জঙ্গল থেকে বেরিয়ে সড়কের দিকে চলে আসেন।

সড়কে উঠে মামুন নামের স্থানীয় এক ব্যক্তির সাথে দেখা হলে জিলানী জানতে পারেন যে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের সন্তান নিখোঁজ রয়েছে। তখন জিলানী তাকে জঙ্গলে পড়ে থাকা শিশুর কথা জানালে মামুন তাকে সাথে নিয়ে পুনরায় অকুস্থলে যান এবং নিশ্চিত হন যে এটিই নিখোঁজ অপ্রতীম। পরবর্তীতে বিষয়টি দ্রুত পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, শিশুটির মাথায় মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণায় মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশেই দুষ্কৃতকারীরা তাকে হত্যা করে থাকতে পারে। ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..