চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গু পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৭ বছর বয়সী কিশোর কোরবান আলী রিফাতের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে উপজেলায় গত ১০ দিনে ডেঙ্গুতে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারে। এর মধ্যে দুই শিশু ও এক যুবক রয়েছেন।
সোনাইছড়ি ইউনিয়নের কাজলীপাড়ার বাসিন্দা রিফাত শুক্রবার জ্বর নিয়ে আক্রান্ত হন এবং সোমবার বিআইডিআইটি থেকে চমেক হাসপাতালে রেফার করার পর মঙ্গলবার ভোরে মারা যান।
সিভিল সার্জনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, সীতাকুণ্ডে বর্তমানে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর মোট সংখ্যা ৪২৭ জনে পৌঁছেছে। এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর সোনাইছড়ির ফুলতলায় ৪ বছর বয়সী মোজাহিদুল ইসলাম, ১৫ সেপ্টেম্বর যুবক মো. রাফসান এবং ১৭ সেপ্টেম্বর পৌরসভার আমিরাবাদের ৫ বছর বয়সী শিশু সিরাজুল মনিরা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান। ঘন ঘন মৃত্যু ও রোগীর সংখ্যা চারশ ছাড়িয়ে যাওয়ায় স্থানীয় জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
মশা নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে ঘাটতির কারণে সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন ইউনিয়নে ডেঙ্গু বাহক এডিসের প্রজননক্ষেত্রগুলো নিষ্ক্রিয় করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। জ্বর হলেই দেরিতে হাসপাতালে আসায় ঝুঁকি বাড়ছে বলে চিকিৎসকরা মনে করছেন। অবিলম্বে জোরালো মশানিধন অভিযান, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ স্থানীয় চিকিৎসাকেন্দ্রে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিটস ও স্যালাইন পর্যাপ্ত রাখার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
খালেদ । পোস্টকার্ড ;