• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৪ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে ফকিরহাট ফকির সংযোগ সড়কে দুর্ভোগ চরমে, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ সীতাকুণ্ডে যুবদলকর্মী বাপ্পি হত্যা মামলায় মূল আসামিসহ গ্রেপ্তার ৬, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার সীতাকুণ্ডে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, চীনা নাগরিকসহ ১৭ জনকে জিম্মি করে ২০ লাখ টাকা লুট সীতাকুণ্ডের বৌদ্ধ পুকুরে ভেসে উঠল পচাগলা মরদেহ, এলাকায় চাঞ্চল্য যুবকল্যাণ তহবিলের অনুদান পেল ‘আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজ’,সমাজ উন্নয়নে নতুন প্রেরণা সীতাকুণ্ডে জরাজীর্ণ সোনাইছড়ি সড়ক, চরম দুর্ভোগে হাজার হাজার বাসিন্দা সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে কলেজছাত্রীর মৃত্যু দুর্বৃত্তদের গুলিতে সীতাকুণ্ডে এক যুবক নিহত, আহত ১ সীতাকুণ্ডে ৭৪টি মণ্ডপে মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু দুর্গোৎসব, পাড়ায় পাড়ায় সাজসাজ রব সীতাকুণ্ডে লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে ৪ শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান

সীতাকুণ্ডে আবাসিক হোটেল থেকে বহিষ্কৃত যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২ শীর্ষ সন্ত্রাসী

পোস্টকার্ড ডেস্ক ।। / ৭৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে চাঁদাবাজি ও গুলি বর্ষণ এবং গ্যাংস্টার এ্যালেক্স ইমন হত্যাসহ একাধিক চাঞ্চল্যকর মামলার এজাহারভুক্ত দুই শীর্ষ পলাতক আসামিকে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। আটককৃতরা হলেন মোহাম্মদপুর এলাকার বহিষ্কৃত যুবদল নেতা রিপন ওরফে রিপন মাস্টার এবং বাদল ওরফে কাইল্লা বাদল।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এপ্রিলে নিউ মার্কেটে শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন হত্যা মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। মূলত রাজধানীর বসিলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদা দাবি করে না পেয়ে গুলির ঘটনায় দায়ের করা মামলার পলাতক আসামি তাঁরা। মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের দেওয়া সুনির্দিষ্ট ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলমের সার্বিক সমন্বয়ে সীতাকুণ্ডে এই যৌথ অভিযান সফল হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া রিপন মাস্টার ও বাদল শুধু চাঁদা দাবি বা গুলিবর্ষণের সঙ্গেই যুক্ত নন; গ্যাং হোতা এ্যালেক্স ইমন হত্যা মামলাসহ মোহাম্মদপুর এলাকায় খুন, চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন দখল-বাণিজ্যের সঙ্গে তাঁদের সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে গা ঢাকা দেওয়া এই দুই অপরাধী শেষ পর্যন্ত নিরাপদ আস্তানা ভেবে সীতাকুণ্ডের আবাসিক হোটেলে আশ্রয় নিলেও পুলিশের প্রযুক্তিগত নজরদারি ও গোয়েন্দা জালে ধরা পড়েন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজধানীর অপরাধ জগতে প্রভাব বিস্তারকারী এসব গ্যাংয়ের সদস্য ও পলাতক সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন সময় আশপাশের জেলায় আত্মগোপন করেন। সীতাকুণ্ডের এই সফল অভিযান অপরাধ দমনে আন্তঃজেলা পুলিশি সমন্বয়ের কার্যকারিতাই প্রমাণ করে। গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড আবেদনসহ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

খালেদ । পোস্টকার্ড ;


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..