• বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০০ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
স্ক্র্যাপ লোহা চুরি ঠেকাতে হটস্পট চিহ্নিত করে বিশেষ অভিযানের ঘোষণা চট্টগ্রাম এসপির সীতাকুণ্ডে ৪র্থ জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত, খাজা কালু শাহ হেফজখানার ৫ শিক্ষার্থীর ঈর্ষণীয় সাফল্য সীতাকুণ্ডে বাকপ্রতিবন্ধী কিশোর নিখোঁজ, সন্তানের সন্ধানে দিশেহারা বাবা সীতাকুণ্ডে গাছকে পিকআপের ধাক্কা, ৩ জন গুরুতর আহত সীতাকুণ্ডে আবু বকর সিদ্দিক (রা.) আদর্শ মাদ্রাসা পরিদর্শনে নূরানী বোর্ডের প্রশিক্ষক সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য সহকারীদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত উপজেলায় উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে ডেঙ্গু, আক্রান্ত বেশি সীতাকুণ্ডে প্রতারণা ও ৩.৮০ কোটি টাকা আত্মসাৎ, ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বেপরোয়া অটোরিকশার ধাক্কা, সীতাকুণ্ডে এক মাস পর মৃত্যুর কোলে ছোট্ট ইশিতা রেলভূমি দখলমুক্ত অভিযান, সীতাকুণ্ডে বিক্ষোভ ও বাধার মুখে কর্তৃপক্ষ

বেপরোয়া অটোরিকশার ধাক্কা, সীতাকুণ্ডে এক মাস পর মৃত্যুর কোলে ছোট্ট ইশিতা

পোস্টকার্ড ডেস্ক ।। / ২৭ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বেপরোয়া অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘ এক মাস মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেছেন দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী ইশিতা দাশ।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। নিহত ইশিতা সীতাকুণ্ডের কাজীপাড়া শিশু নিকেতনের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ২৫ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বেপরোয়া গতির একটি অটোরিকশা তাঁকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।

একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন বাঁচাতে বিভিন্ন পেশার মানুষ ও পরিবার যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এবং আইসিইউ পর্যন্ত লড়াই চালিয়েছিলেন, তা শেষ পর্যন্ত আর ইশিতাকে বাঁচাতে পারেনি। এই মৃত্যু কেবল একটি পরিবার বা সহপাঠী-শিক্ষকদের নয়, পুরো সমাজের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। সীতাকুণ্ডে নিয়মীতর তোয়াক্কা না করে অটোরিকশার ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল রোধে বারবার প্রশ্ন উঠছে—আর কত প্রাণ গেলে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে ?

ইশিতার পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, চালকদের বেপরোয়া মনোভাবের কারণে পথচারী ও খুদে শিক্ষার্থীদের চলাফেরা সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকে । মায়ের কাছে সন্তানের স্বপ্ন সবচেয়ে বড়, যা এভাবে নিভে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ইশিতার সহপাঠীরা আর তাকে স্কুলের বেঞ্চে দেখতে পাবে না এবং শিক্ষকরা তার মিষ্টি ডাক শুনতে পাবেন না । এই অপূরণীয় শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয় ।

দুর্ঘটনার পর চিকিৎসায় সহায়তার জন্য পরিবার ও স্থানীয়দের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এগিয়ে এসেছিল। এখন এলাকাবাসীর দাবি, ইশিতা মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী অটোরিকশা ও চালককে শনাক্ত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি সড়কে অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধে ট্রাফিক বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা, যাতে আর কোনো মায়ের কোল এভাবে খালি না হয়।

খালেদ । পোস্টকার্ড ;


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..