• সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে ফকিরহাট ফকির সংযোগ সড়কে দুর্ভোগ চরমে, ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ সীতাকুণ্ডে যুবদলকর্মী বাপ্পি হত্যা মামলায় মূল আসামিসহ গ্রেপ্তার ৬, অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার সীতাকুণ্ডে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, চীনা নাগরিকসহ ১৭ জনকে জিম্মি করে ২০ লাখ টাকা লুট সীতাকুণ্ডের বৌদ্ধ পুকুরে ভেসে উঠল পচাগলা মরদেহ, এলাকায় চাঞ্চল্য যুবকল্যাণ তহবিলের অনুদান পেল ‘আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজ’,সমাজ উন্নয়নে নতুন প্রেরণা সীতাকুণ্ডে জরাজীর্ণ সোনাইছড়ি সড়ক, চরম দুর্ভোগে হাজার হাজার বাসিন্দা সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে কলেজছাত্রীর মৃত্যু দুর্বৃত্তদের গুলিতে সীতাকুণ্ডে এক যুবক নিহত, আহত ১ সীতাকুণ্ডে ৭৪টি মণ্ডপে মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু দুর্গোৎসব, পাড়ায় পাড়ায় সাজসাজ রব সীতাকুণ্ডে লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে ৪ শতাধিক রোগীকে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান

বেপরোয়া অটোরিকশার ধাক্কা, সীতাকুণ্ডে এক মাস পর মৃত্যুর কোলে ছোট্ট ইশিতা

পোস্টকার্ড ডেস্ক ।। / ৬৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বেপরোয়া অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘ এক মাস মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে না ফেরার দেশে চলে গেছেন দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী ইশিতা দাশ।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। নিহত ইশিতা সীতাকুণ্ডের কাজীপাড়া শিশু নিকেতনের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ২৫ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বেপরোয়া গতির একটি অটোরিকশা তাঁকে ধাক্কা দিলে তিনি গুরুতর আহত হন।

একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন বাঁচাতে বিভিন্ন পেশার মানুষ ও পরিবার যেভাবে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এবং আইসিইউ পর্যন্ত লড়াই চালিয়েছিলেন, তা শেষ পর্যন্ত আর ইশিতাকে বাঁচাতে পারেনি। এই মৃত্যু কেবল একটি পরিবার বা সহপাঠী-শিক্ষকদের নয়, পুরো সমাজের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। সীতাকুণ্ডে নিয়মীতর তোয়াক্কা না করে অটোরিকশার ঝুঁকিপূর্ণ চলাচল রোধে বারবার প্রশ্ন উঠছে—আর কত প্রাণ গেলে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে ?

ইশিতার পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ, চালকদের বেপরোয়া মনোভাবের কারণে পথচারী ও খুদে শিক্ষার্থীদের চলাফেরা সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকে । মায়ের কাছে সন্তানের স্বপ্ন সবচেয়ে বড়, যা এভাবে নিভে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ইশিতার সহপাঠীরা আর তাকে স্কুলের বেঞ্চে দেখতে পাবে না এবং শিক্ষকরা তার মিষ্টি ডাক শুনতে পাবেন না । এই অপূরণীয় শূন্যতা কখনো পূরণ হওয়ার নয় ।

দুর্ঘটনার পর চিকিৎসায় সহায়তার জন্য পরিবার ও স্থানীয়দের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এগিয়ে এসেছিল। এখন এলাকাবাসীর দাবি, ইশিতা মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ী অটোরিকশা ও চালককে শনাক্ত করে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি সড়কে অবৈধ ও অনিয়ন্ত্রিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধে ট্রাফিক বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা, যাতে আর কোনো মায়ের কোল এভাবে খালি না হয়।

খালেদ । পোস্টকার্ড ;


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..