• বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে সবজি চাষের ক্ষতি পুষিয়ে সোনালি আখে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন না ফেরার শর্তে পুলিশ পাহারায় চুয়েট ক্যাম্পাস ছাড়লেন উপাচার্য সীতাকুণ্ডের হত্যা মামলার পলাতক আসামি ফটিকছড়িতে গ্রেপ্তার সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়ীয়ায় জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন সম্পন্ন, ইউপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা সীতাকুণ্ডে ৭ টন ইলিশ জব্দ ও পৌনে ৪ লাখ টাকা জরিমানা, ধ্বংস ১ লাখ মিটার জাল নতুন ভিসি প্রত্যাখ্যান চুয়েটে: অবরুদ্ধ উপাচার্য, সর্বাত্মক অসহযোগের ঘোষণা সীতাকুণ্ডে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত, চিত্রাঙ্কনে ৪ শিক্ষার্থীদের সাফল্য সীতাকুণ্ডে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কামরুজ্জামান আদর্শ ছাত্র ও যুব সমাজ’র নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি,৩০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৭ লাখ টাকা লুট

না ফেরার শর্তে পুলিশ পাহারায় চুয়েট ক্যাম্পাস ছাড়লেন উপাচার্য

পোস্টকার্ড ডেস্ক ।। / ২৪ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তীব্র আন্দোলনের মুখে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে উদ্ধার করেছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যায় তাকে প্রশাসনিক ভবন থেকে বের করে পুলিশি নিরাপত্তায় অ্যাম্বুলেন্সে করে ক্যাম্পাস থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপাচার্যকে প্রশাসনিক ভবন থেকে নিচে নামিয়ে আনার পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মাইকে ঘোষণা দেওয়া হয়, “ভিসিকে আমরা ক্যাম্পাস থেকে বের হতে দিচ্ছি একটি মাত্র শর্তে, সেটি হলো তিনি আর চুয়েট ক্যাম্পাসে ফিরবেন না।” এ সময় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতেই শিক্ষার্থীরা তাকে লক্ষ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন এবং পরে পুলিশি পাহারায় একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে ক্যাম্পাস থেকে নিয়ে যাওয়া হয়।

সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছিলেন। এই অচলাবস্থার মধ্যেই গত সোমবার (১২ অক্টোবর) সকালে প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তিনি বহিরাগত ব্যক্তিদের নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছেন। এর পরেই তার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে এবং নির্ধারিত সময়ে পদত্যাগ না করায় তিনি নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন।

উপাচার্য নিয়োগের বিরোধিতাকে কেন্দ্র করে গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে চুয়েটে সার্বিক অচলাবস্থা বিরাজ করছে। সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীরা ভবনে তালা ঝুলিয়ে দেন এবং পরবর্তীতে মুখোশ মিছিল, চোখ বাঁধা প্রতিবাদ মিছিলসহ ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন ও সর্বাত্মক বন্ধের কর্মসূচি পালন করেন। অন্যদিকে, উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশের প্রতিবাদে গত সোমবার চুয়েট শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে সর্বাত্মক অসহযোগ ও কর্মবিরতির ঘোষণা দেয়, যার ফলে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্থবির হয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি অবনতি হলে মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে উপাচার্যকে উদ্ধার করতে চুয়েট ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা ও পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম। সে সময় জেলা প্রশাসক গণমাধ্যমকে জানান, একজন সম্মানিত শিক্ষক তাদের কাছে নিরাপত্তা ও চিকিৎসার কথা বলে সহায়তা চেয়েছেন এবং তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্যই তারা এসেছেন। পরবর্তীতে পুলিশি নিরাপত্তায় তাকে অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হলেও তাকে ঠিক কোন হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।

খালেদ / পোস্টকার্ড ; 


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..