• শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
কারাবন্দী পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক আইয়ুবের পাশে সীতাকুণ্ড কৃষি অফিস জঙ্গল সলিমপুরে পুলিশের ওপর গুলি, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৪ সীতাকুণ্ডে অজ্ঞাতনামা গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, শ্বাসরোধে হত্যার সন্দেহ ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল: ১৫ বছরের চুক্তি সই, রাজধানীজুড়ে তীব্র প্রতিবাদ-বিক্ষোভ চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকার বিআরটিএ’র আর্থিক সহায়তা সীতাকুণ্ডে উপকূলে অর্ধগলিত শিশুর লাশ, গাউছিয়া কমিটির সহায়তায় উদ্ধার সীতাকুণ্ডে ডেঙ্গুতে গৃহবধূর মৃত্যু সীতাকুণ্ডে শিক্ষক সংকটে স্থবির মাদ্রাসা, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রম, প্রধান শিক্ষক নেই একাধিক প্রতিষ্টানে সার পাচার আটকাতে গিয়ে চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলায় কারাগারে কৃষক ফেরদৌস স্টিলে ১০ শ্রমিকের মৃত্যু, বিচার ও পুনর্বাসন নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ নীরবতা!

কারাবন্দী পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক আইয়ুবের পাশে সীতাকুণ্ড কৃষি অফিস

পোস্টকার্ড ডেস্ক ।। / ৪৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

সীতাকুণ্ডে অবৈধ সার পাচার আটকাতে গিয়ে উল্টো ২ লাখ টাকা চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেফতার হওয়া জাতীয় কৃষি পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক মো. আইয়ুব আলীর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা কৃষি প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যায় মুরাদপুর ইউনিয়নের গুলিয়াখালী এলাকায় কারাবন্দী কৃষক আইয়ুব আলীর বাড়িতে যান সীতাকুণ্ড উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কল্পনা রহমান ও কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ইশতিয়াক আহমেদ। তাঁরা অসহায় পরিবারটির সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং আইয়ুব আলীর দ্রুত মুক্তির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তার আশ্বাস দেন।

গত ৬ অক্টোবর মুরাদপুর ইউনিয়নের গুলিয়াখালী এলাকায় সন্দ্বীপে চালানের নামে সারের দুটি ট্রাক থামান স্থানীয় কৃষকরা। ট্রাকচালকরা পরিদর্শনের সময় কোনো বৈধ চালান বা কাগজপত্র দেখাতে না পারায় সন্দেহ তৈরি হয়। পরবর্তীতে পুলিশ সেখানে এসে এগুলোকে ‘থানা থেকে নিলামে কেনা সার’ বলে দাবি করে এবং উল্টো কৃষক আইয়ুব আলীর বিরুদ্ধে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মামলায় তাকে গ্রেফতার করে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্পনা রহমান জানান, ওই সার নিলাম বা পরিবহনের বিষয়ে উপজেলা কিংবা জেলা কৃষি বিভাগকে আগাম কিছুই জানানো হয়নি। তাছাড়া, সন্দ্বীপে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হলেও সারগুলো আদৌ নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছেছে কি না বা কোথায় পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়ে কৃষি দপ্তরের কাছে কোনো স্পষ্ট তথ্য নেই। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আফরু মারমাও নিশ্চিত করেছেন যে, সারের এ ধরনের নিলাম বা হস্তান্তরের বিষয়টি কৃষি বিভাগকে অবহিত করা হয়নি।

সীতাকুণ্ডের বঙ্গোপসাগর উপকূলীয় রুট ব্যবহার করে সার পাচারের নানা গুঞ্জনের মধ্যে একজন সচেতন কৃষক হিসেবে আইয়ুব আলী চক্রান্তের শিকার হয়েছেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ইশতিয়াক আহমেদ উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, “আইয়ুব আলী প্রতি বছর কয়েক একর জমিতে আগাম সবজি চাষ করেন। পরিবারে তার স্ত্রী ও দুটি ছোট শিশু ছাড়া কেউ নেই। তিনি কারাগারে থাকায় ফসল উৎপাদনে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটবে।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্পনা রহমান বলেন, জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত একজন আদর্শ কৃষককে এভাবে মামলায় জেলে পাঠানো অত্যন্ত দুঃখজনক। মানবিক কারণে আমরা পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়েছি এবং আইয়ুব আলীর আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় সব আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।

খালেদ / পোস্টকার্ড ; 


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..