• বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৩ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন: শহীদ হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি সীতাকুণ্ডে অবৈধ বালু উত্তোলন না করায় ড্রেজার আটকে চাঁদাবাজি, থানায় অভিযোগ সার চোরাচালানে মামলা না হওয়ায় আদালতের ক্ষোভ ও তদন্তের নির্দেশ শরতের সীতাকুণ্ডে মেঘ-পাহাড়ের মিতালি, রূপকাব্য মূর্ত হয়ে ওঠে প্রকৃতির কোলে মালয়েশিয়ায় পিএইচডি করতে যাচ্ছেন আইআইইউসির ১৫ শিক্ষক-কর্মকর্তা ক্যান্সার গবেষক ডাঃ এস এম সরওয়ারকে ডিজিটাল ফিউচার মিডিয়া ক্লাবের সংবর্ধনা ‘আজকের কাজ আজই শেষ করা পবিত্র দায়িত্ব’, কঠোর বার্তা চট্টগ্রাম ডিসির চট্টগ্রামের ৪ উপজেলার এসিল্যান্ড প্রত্যাহার সীতাকুণ্ডে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মনসুরের শোকসভা, ‘তিনি ছিলেন অকুতোভয় দেশপ্রেমিক ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্পষ্টভাষী’—আসলাম চৌধুরী বাড়বকুণ্ডে তরুণ উদ্ভাবকদের মেলা, ‘কোয়ার্ক বিজ্ঞান ক্লাব’-এর আয়োজনে ‘রোবোসেল’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন

বিইআরসির নির্ধারিত দাম উপেক্ষা, এলপিজিতে অতিরিক্ত টাকা আদায়

বিশেষ প্রতিবেদক ।। / ৫০ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত মূল্যের তোয়াক্কা না করে খুচরা বাজারে সিলিন্ডারপ্রতি চার থেকে পাঁচশ টাকা পর্যন্ত বাড়তি অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। ফলে গৃহস্থালি রান্নায় বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বর্তমানে দুই হাজার টাকা ছাড়িয়ে গেছে। সরবরাহ সংকটের সুযোগ নিয়ে এই অতিরিক্ত দাম আদায় করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বিইআরসি ও সংশ্লিষ্ট আমদানি কারক সূত্রে জানা যায়, গত আগস্ট মাসে দেশে প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার টন এলপিজি আমদানি হলেও চলতি সেপ্টেম্বর মাসে তা কমে ১ লাখ ২০ হাজার টনে নেমে এসেছে, অর্থাৎ এক মাসের ব্যবধানে আমদানি প্রায় ২৫ শতাংশ বা ৪০ হাজার টন হ্রাস পেয়েছে। গত ২ সেপ্টেম্বর বিইআরসি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করলেও বাজারে সরবরাহ ঘাটতির কারণে সেই দামে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না এবং ভোক্তাদের ২ হাজার থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা পর্যন্ত গুনতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থার কারণে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির মতো প্রধান আন্তর্জাতিক নৌপথগুলোতে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জাহাজ সংকট ও পরিবহন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আমদানির মূল উৎস মধ্যপ্রাচ্য থেকে বিকল্প পথে পণ্য আনতে গিয়ে সময় ও ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মেঘনা ফ্রেশ এলপিজির সিএমও আবু সাঈদ রেজা জানান, কার্গো না পাওয়া এবং বৈশ্বিক সরবরাহকারীদের ২০ শতাংশ সরবরাহ কমানোর কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়েছে।

এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্ববাজারে টনপ্রতি কার্গো প্রিমিয়াম বিইআরসির নির্ধারিত ১৬০ ডলার থেকে বেড়ে ২৬০ থেকে ৪০০ ডলারে ঠেকেছে। বিশ্ববাজারের এই বাড়তি খরচ বিইআরসির মাসিক মূল্যসূত্রে সমন্বয় না হওয়ায় এবং নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করলে লোকসান হওয়ায় অনেক আমদানিকারক আমদানি সীমিত রেখেছেন। ওমেরা পেট্রোলিয়ামের সিইও তানজীম চৌধুরী উল্লেখ করেন, দেশে বছরে ১৫ থেকে ১৬ লাখ টন এলপিজির চাহিদার প্রায় ৯৯ শতাংশই বেসরকারি খাত পূরণ করে থাকে।

বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কিছু প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত জাহাজ সময়ে না পৌঁছায় সেপ্টেম্বর মাসে এই ঘাটতি দেখা দিয়েছে এবং সংকট নিরসনে আমদানিকারকদের সঙ্গে দ্রুত বৈঠক করা হবে। তবে বৈশ্বিক নৌপথের জটিলতা ও কার্গো নিশ্চিত না হলে আগামী অক্টোবর মাসেও এই সংকট বজায় থাকার আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..