• বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
মহানবমীতে উৎসবের আমেজ,কাল বিজয়া দশমীতে বিসর্জনের প্রস্তুতি আগ্রাবাদ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ৩৫ শিশুর বিনামূল্যে ঠোঁট ও তালু কাটা সার্জারি ক্যাম্প ২৩ অক্টোবর সীতাকুণ্ডে শারদীয় দুর্গাপূজার আলোচনা সভা: অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়াই আমাদের লক্ষ্য — লায়ন আসলাম চৌধুরী সীতাকুণ্ডে নিষিদ্ধ জাল জব্দ, মা ইলিশ রক্ষায় যৌথ অভিযান প্রফেসর শায়েস্তা খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ, স্মরণসভায় শ্রদ্ধা জানাবে ক্রীড়া ও শিক্ষাঙ্গন গণঅভ্যুত্থানকে বিতর্কিত না করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সীতাকুণ্ড পৌর সদর বাজারে খাসজমির ১৮ দোকান ইজারা জটিলতা, ফুটপাত দখলে বাড়ছে যানজট সীতাকুণ্ডে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রতিনিধিদের ক্ষোভ চট্টগ্রামে দেওয়ানহাট ব্রিজের নিচে রেললাইনের নাট-বল্টু চুরি, যেকোনো মুহূর্তে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শঙ্কা রেলওয়ের জমি দখল, সাবেক এমপি রুহেলের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

মানসিক অস্থিরতা ও দুশ্চিন্তা কমানোর ৪টি গুরুত্বপূর্ণ আমল

ইসলাম ডেস্ক ।। / ৯৬ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

মানবজীবনে সুখ-দুঃখ ও আনন্দ-বেদনা পরপর আসে। কখনো কখনো নানা অনিশ্চয়তা, পারিবারিক বা ব্যক্তিগত সমস্যা মানুষকে তীব্র দুশ্চিন্তা ও মানসিক অস্থিরতার মধ্যে ফেলে দেয়। ইসলামে যেকোনো কঠিন পরিস্থিতিতে ভেঙে না পড়ে আল্লাহর ওপর আস্থা ও ভরসা রাখার ওপর বিশেষ তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত এমন ৪টি আমল রয়েছে, যা বিপদের সময় অন্তরে প্রশান্তি ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে:

১. বেশি বেশি দোয়া করা

বিপদ ও উৎকণ্ঠার সময় আল্লাহর কাছে নিজের মনের কথা ও দুঃখ প্রকাশ করলে অন্তরে বিশেষ প্রশান্তি মেলে। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, বান্দা যখনই তাঁকে ডাকে, তিনি সেই ডাকে সাড়া দেন (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৮৬)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) দুশ্চিন্তা ও মানসিক কষ্ট থেকে মুক্তির জন্য এই দোয়াটি বেশি পাঠ করতেন:

‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হুজনি, ওয়াল আজাজি ওয়াল কাসালি, ওয়াল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া দালায়িদ দাইনি ওয়া গালাবাতির রিজালি।’

(অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুশ্চিন্তা ও শোক থেকে, অক্ষমতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে এবং ঋণের বোঝা ও মানুষের নিপীড়ন থেকে।—বুখারি, হাদিস: ২৮২৯)

২. আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতগুলো স্মরণ করা

বিপদের সময় মানুষ প্রায়ই জীবনের ইতিবাচক দিকগুলো ভুলে গিয়ে অপ্রাপ্তি নিয়ে বেশি চিন্তিত হয়ে পড়ে। অথচ আল্লাহ তাআলার অগণিত নিয়ামতের (যেমন: সুস্থতা, পরিবার, রিজিক ও নিরাপত্তা) কথা স্মরণ করলে হৃদয়ে কৃতজ্ঞতাবোধ তৈরি হয় এবং হতাশা দূর হয়। আল্লাহ বলেন, “তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ গুনে শেষ করতে পারবে না।” (সুরা ইবরাহিম, আয়াত: ৩৪)

৩. আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা (তাওয়াক্কুল) রাখা

যেকোনো সংকটময় মুহূর্তে আল্লাহর ওপর সুদৃঢ় বিশ্বাস রাখা মুমিনের অন্তরে আত্মবল জোগায়। হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে আগুনে ফেলার সময় কিংবা সাহাবিরা শত্রুর ভয় দেখানোর মুখোমুখি হলে তারা আল্লাহর ওপর ভরসা রেখেছিলেন। কোরআনে বর্ণিত হয়েছে, বিশ্বাসীরা প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বলেছিলেন— “আল্লাহই আমাদের জন্য যথেষ্ট এবং তিনি কতই না উত্তম কর্মবিধায়ক!” (সুরা আল-ইমরান, আয়াত: ১৭৩)

৪. ধৈর্য ধারণ ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য চাওয়া

কঠিন পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে মানুষ অধৈর্য হয়ে পড়ে। তাই এই সময়ে ধৈর্য ধারণ করা এবং নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, “হে ঈমানদারগণ! ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।” (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৫৩)

জীবনযাত্রায় এসব আমল নিয়মিত চর্চা করলে কঠিন সময়েও মনকে স্থির রাখা সম্ভব এবং তা আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের পথ সুগম করে দেয়।

খালেদ / পোস্টকার্ড ; 


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..