• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান বিএনপি নেতা এম সামছুদ্দোহা সীতাকুণ্ডে বাস-লরির সংঘর্ষে শিশুসহ ৬ যাত্রী নিহত, আহত ৭ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বাস-লরি সংঘর্ষে নিহত ৫, আহত ৯ এক দিনে এক লাখ গাছ রোপণ, ১৫ হাজার সহকর্মী নিয়ে মাঠে নামছেন চট্টগ্রামের ডিসি জীবন থাকতে যে ভুলগুলো শুধরে নেওয়া জরুরি. তওবা কবুল না হওয়ার সময়সমূহ সীতাকুণ্ডে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং লিবার্টির একগুচ্ছ সেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত আবারো যৌতুকের বলি , প্রাণ গেল ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তানিয়ার! মাত্র তিন বছরের মাথায় যৌতুকের বলি গৃহবধূ আঁখি, প্রয়োজন পারিবারিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন দুই দিনব্যাপী ৩০ শিশুর বিনামূল্যে ঠোঁট ও তালু কাটা সার্জারি ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সীতাকুণ্ডে লায়ন্স ক্লাবের দিনব্যাপী বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পে সেবা পেলেন ৩০৫ জন, ৫০ জনের ছানি অপারেশনের সুযোগ

সীতাকুণ্ডে কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান বিএনপি নেতা এম সামছুদ্দোহা

মো. সাজ্জাদ হোসেন, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম।। / ৪০ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬

মো. সাজ্জাদ হোসেন, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম।।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ৭ নম্বর কুমিরা ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এম সামছুদ্দোহা। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশের পর তাঁকে ঘিরে স্থানীয় বাসিন্দা ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। এলাকাবাসীর মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে কুমিরা ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা চলছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন এম সামছুদ্দোহা। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

এম সামছুদ্দোহা কুমিরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর সমর্থকদের দাবি, তিনি উচ্চশিক্ষিত এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত একজন ব্যক্তি। পারিবারিক ঐতিহ্য ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণে এলাকায় তাঁর পরিচিতি রয়েছে বলেও দাবি করেন তাঁরা।

চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত সম্পর্কে এম সামছুদ্দোহা বলেন, “আমি এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করব, ইনশাআল্লাহ। এলাকাবাসীর মতামতের ভিত্তিতেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

নিজের রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে একাধিক মামলার আসামি হয়ে আমাকে বাড়িছাড়া থাকতে হয়েছে। দুইবার কারাবরণও করেছি।” আসন্ন নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে তিনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবেন বলে আশাবাদী, ইনশাআল্লাহ।

জনসেবাকে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একজন জনপ্রতিনিধির কাছে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা থাকে, তিনি যেন দল-মতনির্বিশেষে সবার পাশে দাঁড়ান এবং এলাকার সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখেন।

কুমিরা ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে এম সামছুদ্দোহাকে ঘিরেও স্থানীয়দের আলোচনায় জনসেবা ও এলাকার উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাচ্ছে বলে জানা গেছে।

চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা এবং অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে। রাস্তাঘাট ও যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, পানি নিষ্কাশনের সমস্যা সমাধান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় সহযোগিতা এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার মতো বিষয়গুলো ইউনিয়ন পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এসব ক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ ও জনসম্পৃক্ততা স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।

স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে তাঁদের অভাব-অভিযোগ শোনা, এলাকার সমস্যা চিহ্নিত করা এবং সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করাও একজন জনপ্রতিনিধির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। এম সামছুদ্দোহার প্রার্থিতাকে ঘিরে আলোচনার মধ্যে এসব জনকল্যাণমূলক বিষয়ও গুরুত্ব পাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে তাঁর বিস্তারিত নির্বাচনী পরিকল্পনা ও সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া গেলে তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা স্পষ্ট হবে।

এদিকে, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে রাজনৈতিক তৎপরতা ও আলোচনা চলছে। কুমিরা ইউনিয়নেও প্রার্থীদের অবস্থান, দলীয় মনোনয়ন এবং ভোটারদের প্রত্যাশা আগামী দিনে নির্বাচনী আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠতে পারে।

এম সামছুদ্দোহা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে নিজের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন। তবে তাঁর দলীয় মনোনয়ন এবং নির্বাচনের চূড়ান্ত পরিস্থিতি এখনো নিশ্চিত নয়। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্ত, প্রার্থীদের কর্মপরিকল্পনা এবং ভোটারদের মতামত কুমিরা ইউনিয়নের নির্বাচনী পরিস্থিতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..