মানবিক ও নৈতিক শিক্ষার পাঠ আত্মস্থ করে সুশৃঙ্খল জীবনাচার গঠনের মূল নিয়ামক হলো বিদ্যালয়। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ভিত মজবুত করা এবং তাদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার পেছনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা ভবিষ্যৎ জীবনে স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়। খেলাধুলা ও পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় অনুশাসনের বীজ মনে বপন করতে পারলেই একটি সমৃদ্ধ ও আলোকিত স্বদেশ বিনির্মাণ সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক যুগ্ম মহাসচিব আসলাম চৌধুরী এফসিএ।
গত শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত লতিফপুর আলহাজ্ব আব্দুল জলিল উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আসলাম চৌধুরী বলেন, পুরস্কারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভালো করার জন্য উৎসাহ দেওয়া একটি চমৎকার উদ্যোগ। খেলাধুলা এবং পরীক্ষার ফলাফলে যারা কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করেছে, তাদের এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে এবং অন্যদেরও তা অনুসরণ করতে হবে। একটি সুনাগরিক তৈরিতে পরিবার এবং শিক্ষক উভয়কেই সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।
সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় অভিভাবকদের সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীকে কেবল স্কুলেই পাঠিয়ে দিলেই অভিভাবকদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। সন্তান কার সাথে মিশছে, কোথায় যাচ্ছে, পড়াশোনায় ঠিকমতো মনোযোগী কি না এবং তার মধ্যে কোনো মোবাইল আসক্তি তৈরি হচ্ছে কি না—এসব বিষয়ে অভিভাবককেই তীক্ষ্ণ নজরদারি করতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাতেই কেবল কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।
লতিফপুর আলহাজ্ব আব্দুল জলিল উচ্চ বিদ্যালয় এডহক কমিটির সভাপতি মাহবুব ই খোদা মোর্শেদের সভাপতিত্বে এবং স্কুলের সহকারী শিক্ষক রেজাউল করিম নয়নের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আকবরশাহ থানার অফিসার ইনচার্জ কামরুজ্জামান, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দাউদুল ইসলাম, সলিমপুর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব খ ম নাজিম উদ্দিন, রায়হান উদ্দিন মুকুল, সালামত আলী, এডহক কমিটির অভিভাবক সদস্য কায়ছার আলম, শিক্ষক জানে আলম, লুৎফুন নাহার, সাইফুদ্দিন খালেদ, ফরহাদ আহমেদ, সুপ্রভাত দেবী এবং শিক্ষার্থী ফাতেমাতুজ জোহরা, নিহাল ইবনে নূর ও সঙ্গীতা দাশ প্রমুখ।
খালেদ / পোস্টকার্ড ;