১২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সমাজসেবা, রাজনীতি ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অনন্য এক নাম এস. এম. আজমল হোসেন হিরো

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের সুপরিচিত সমাজসেবক, সংগঠক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এস. এম. আজমল হোসেন হিরো দীর্ঘদিন ধরে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড, সামাজিক উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন।

মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো এবং তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়ন নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে তিনি নিজেকে নিবেদিত রেখেছেন।

পূর্ব মুরাদপুরের পেশকার পাড়ার এক সম্ভ্রান্ত ও স্বনামধন্য পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এস. এম. আজমল হোসেন হিরো। তাঁর পিতা মরহুম এস. এম. আমিনুল হক, যিনি কাসেম বিড়ি কোম্পানি তথা হেজু কোম্পানি নামেও পরিচিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর মাতা মাবিয়া খাতুন। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের বৃহৎ পরিবারে বেড়ে ওঠা আজমল হোসেন হিরো ছোটবেলা থেকেই নেতৃত্বগুণ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ ছিলেন। তাঁর সকল ভাই-বোন নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

শিক্ষাজীবনে তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক (বি.এস.এস.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সমাজ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার পাশাপাশি সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।

রাজনৈতিক জীবন
ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। ১৯৯৮ সালের দিকে তিনি ৪ নম্বর মুরাদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে একই ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। দক্ষ নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

পরবর্তীতে তিনি উপজেলা ছাত্রদলের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি তৃণমূলের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

সমাজসেবা ও মানবিক কার্যক্রম
মানুষের কল্যাণে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় থেকে ১৯৯৭ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘মনীষা’। প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে একটি মানবিক ও জনকল্যাণমুখী সংগঠনে পরিণত করেছেন।

মনীষার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে শীতবস্ত্র বিতরণ, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সহায়তা, চিকিৎসাসেবা প্রদান, টেলিমেডিসিন কার্যক্রম, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশ ও জলবায়ু আন্দোলন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

বিশেষ করে করোনা মহামারির সময়ে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ব্যাপক ত্রাণ বিতরণ, গ্রামে গ্রামে মাইকিং করে সচেতনতা সৃষ্টি, করোনা টিকাদান কার্যক্রমে সহযোগিতা, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং জরুরি সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেন।

এছাড়াও তাঁর নেতৃত্বে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পথনাটক, লিফলেট বিতরণ, উঠান বৈঠক, সেমিনার, কর্মশালা এবং বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে।

সংস্কৃতি অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা
সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি সীতাকুণ্ডের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত রয়েছেন আজমল হোসেন হিরো। বৈশাখী উৎসব, একুশে বইমেলা এবং বিভিন্ন সাহিত্য-সংস্কৃতি বিষয়ক আয়োজনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর মতে, একটি সচেতন, মানবিক ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনে সংস্কৃতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা
বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক, মনীষা
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সীতাকুণ্ড এনজিও সমন্বয় পরিষদ
সাবেক দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি, এডাব (Association of Development Agencies in Bangladesh) – সীতাকুণ্ড
কার্যনির্বাহী সদস্য, সীতাকুণ্ড রোগী কল্যাণ সমিতি
কার্যনির্বাহী সদস্য, সীতাকুণ্ড কবিতা পরিষদ
উপদেষ্টা, প্রথম প্রহর ফাউন্ডেশন
উপদেষ্টা, শুক্তধারা ফাউন্ডেশন
এছাড়াও তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন নেটওয়ার্কের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এবং মানবাধিকার, পরিবেশ, সামাজিক ন্যায়বিচার ও উন্নয়ন বিষয়ক নানা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থেকেছেন।

সম্মাননা ও স্বীকৃতি
সমাজসেবা, মানবিক কর্মকাণ্ড এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন থেকে একাধিক সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট লাভ করেছেন।

ভবিষ্যৎ ভাবনা
এস. এম. আজমল হোসেন হিরো বিশ্বাস করেন, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, সুশাসন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং উন্নয়নমুখী নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি আধুনিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ ইউনিয়ন গড়ে তোলা সম্ভব। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যেতে চান।

মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, জনসেবাকে জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করা এবং উন্নয়নের সুফল তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয়ে তিনি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের সেবা করার সুযোগ প্রত্যাশা করছেন।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

সিপিডিএলে ‘ট্রান্সফরমেশন থ্রু বিজনেস ইনোভেশন’ শীর্ষক সেশন অনুষ্ঠিত

সমাজসেবা, রাজনীতি ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অনন্য এক নাম এস. এম. আজমল হোসেন হিরো

প্রকাশিত হয়েছে: ০২:৪১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের সুপরিচিত সমাজসেবক, সংগঠক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এস. এম. আজমল হোসেন হিরো দীর্ঘদিন ধরে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড, সামাজিক উন্নয়ন এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছেন।

মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানো এবং তৃণমূল পর্যায়ে উন্নয়ন নিশ্চিত করার প্রত্যয়ে তিনি নিজেকে নিবেদিত রেখেছেন।

পূর্ব মুরাদপুরের পেশকার পাড়ার এক সম্ভ্রান্ত ও স্বনামধন্য পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন এস. এম. আজমল হোসেন হিরো। তাঁর পিতা মরহুম এস. এম. আমিনুল হক, যিনি কাসেম বিড়ি কোম্পানি তথা হেজু কোম্পানি নামেও পরিচিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর মাতা মাবিয়া খাতুন। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের বৃহৎ পরিবারে বেড়ে ওঠা আজমল হোসেন হিরো ছোটবেলা থেকেই নেতৃত্বগুণ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ ছিলেন। তাঁর সকল ভাই-বোন নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

শিক্ষাজীবনে তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক (বি.এস.এস.) ডিগ্রি অর্জন করেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি সমাজ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার পাশাপাশি সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।

রাজনৈতিক জীবন
ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়। ১৯৯৮ সালের দিকে তিনি ৪ নম্বর মুরাদপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে একই ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। দক্ষ নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

পরবর্তীতে তিনি উপজেলা ছাত্রদলের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরে উপজেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি তৃণমূলের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন।

সমাজসেবা ও মানবিক কার্যক্রম
মানুষের কল্যাণে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় থেকে ১৯৯৭ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘মনীষা’। প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে একটি মানবিক ও জনকল্যাণমুখী সংগঠনে পরিণত করেছেন।

মনীষার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে শীতবস্ত্র বিতরণ, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সহায়তা, চিকিৎসাসেবা প্রদান, টেলিমেডিসিন কার্যক্রম, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশ ও জলবায়ু আন্দোলন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

বিশেষ করে করোনা মহামারির সময়ে তিনি মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ব্যাপক ত্রাণ বিতরণ, গ্রামে গ্রামে মাইকিং করে সচেতনতা সৃষ্টি, করোনা টিকাদান কার্যক্রমে সহযোগিতা, স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং জরুরি সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেন।

এছাড়াও তাঁর নেতৃত্বে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পথনাটক, লিফলেট বিতরণ, উঠান বৈঠক, সেমিনার, কর্মশালা এবং বিভিন্ন জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়েছে।

সংস্কৃতি অঙ্গনে সক্রিয় ভূমিকা
সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি সীতাকুণ্ডের সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত রয়েছেন আজমল হোসেন হিরো। বৈশাখী উৎসব, একুশে বইমেলা এবং বিভিন্ন সাহিত্য-সংস্কৃতি বিষয়ক আয়োজনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর মতে, একটি সচেতন, মানবিক ও প্রগতিশীল সমাজ গঠনে সংস্কৃতির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা
বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক, মনীষা
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সীতাকুণ্ড এনজিও সমন্বয় পরিষদ
সাবেক দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি, এডাব (Association of Development Agencies in Bangladesh) – সীতাকুণ্ড
কার্যনির্বাহী সদস্য, সীতাকুণ্ড রোগী কল্যাণ সমিতি
কার্যনির্বাহী সদস্য, সীতাকুণ্ড কবিতা পরিষদ
উপদেষ্টা, প্রথম প্রহর ফাউন্ডেশন
উপদেষ্টা, শুক্তধারা ফাউন্ডেশন
এছাড়াও তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন নেটওয়ার্কের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এবং মানবাধিকার, পরিবেশ, সামাজিক ন্যায়বিচার ও উন্নয়ন বিষয়ক নানা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থেকেছেন।

সম্মাননা ও স্বীকৃতি
সমাজসেবা, মানবিক কর্মকাণ্ড এবং জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন থেকে একাধিক সম্মাননা স্মারক ও ক্রেস্ট লাভ করেছেন।

ভবিষ্যৎ ভাবনা
এস. এম. আজমল হোসেন হিরো বিশ্বাস করেন, জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, সুশাসন, সামাজিক সম্প্রীতি এবং উন্নয়নমুখী নেতৃত্বের মাধ্যমে একটি আধুনিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ ইউনিয়ন গড়ে তোলা সম্ভব। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে তিনি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যেতে চান।

মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, জনসেবাকে জীবনের ব্রত হিসেবে গ্রহণ করা এবং উন্নয়নের সুফল তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার প্রত্যয়ে তিনি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জনগণের সেবা করার সুযোগ প্রত্যাশা করছেন।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;