০৩:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে ইউএনও’র ঝটিকা অভিযান, তথ্য গোপন করে তেল মজুদে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখা, অপচয় রোধ এবং অবৈধ মজুতদারি ও চোরাচালান বন্ধে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কঠোর অবস্থানে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশেষ মনিটরিং কার্যক্রম ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালে উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে তেলের মজুত সংক্রান্ত সরকারি তথ্যের সাথে বাস্তব মজুতের ব্যাপক গরমিল পাওয়া যায়। মূলত তেলের মজুত গোপন করে অবৈধভাবে সংরক্ষণের দায়ে ওই ফিলিং স্টেশনকে মোবাইল কোর্ট আইনের আওতায় ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, “জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। কোনোভাবেই অবৈধ মজুতদারি বা চোরাচালান সহ্য করা হবে না।” তিনি আরও জানান, তেলের অপচয় রোধ এবং জনভোগান্তি কমাতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জ্বালানি তেলের সঠিক বণ্টন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে একজন করে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ করা হয়েছে। এই কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে স্টেশনের মজুত ও সরবরাহ তদারকি করবেন, যাতে কোনো ফিলিং স্টেশন তথ্য গোপন বা অনিয়ম করার সুযোগ না পায়।

সীতাকুণ্ডের সাধারণ মানুষ প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, নিয়মিত মনিটরিংয়ের ফলে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা কমবে এবং কৃত্রিম সংকটের অবসান ঘটবে।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

যেভাবে চট্টগ্রাম হয়ে উঠল “জুলুসের শহর”, জশনে জুলুসের পাঁচ দশকের ইতিহাস

সীতাকুণ্ডে ইউএনও’র ঝটিকা অভিযান, তথ্য গোপন করে তেল মজুদে ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০৫:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখা, অপচয় রোধ এবং অবৈধ মজুতদারি ও চোরাচালান বন্ধে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কঠোর অবস্থানে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন।

শনিবার উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিশেষ মনিটরিং কার্যক্রম ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়।

অভিযান চলাকালে উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে তেলের মজুত সংক্রান্ত সরকারি তথ্যের সাথে বাস্তব মজুতের ব্যাপক গরমিল পাওয়া যায়। মূলত তেলের মজুত গোপন করে অবৈধভাবে সংরক্ষণের দায়ে ওই ফিলিং স্টেশনকে মোবাইল কোর্ট আইনের আওতায় ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযান শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, “জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে আমরা নিয়মিত মনিটরিং করছি। কোনোভাবেই অবৈধ মজুতদারি বা চোরাচালান সহ্য করা হবে না।” তিনি আরও জানান, তেলের অপচয় রোধ এবং জনভোগান্তি কমাতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জ্বালানি তেলের সঠিক বণ্টন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি ফিলিং স্টেশনে একজন করে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগ করা হয়েছে। এই কর্মকর্তারা নিয়মিতভাবে স্টেশনের মজুত ও সরবরাহ তদারকি করবেন, যাতে কোনো ফিলিং স্টেশন তথ্য গোপন বা অনিয়ম করার সুযোগ না পায়।

সীতাকুণ্ডের সাধারণ মানুষ প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, নিয়মিত মনিটরিংয়ের ফলে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা কমবে এবং কৃত্রিম সংকটের অবসান ঘটবে।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;