০৩:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চার পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই, অর্ধকোটি টাকা ক্ষতি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের পূর্ববাকখালী ৪নং ওয়ার্ডের শেখের হাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

শ‌নিবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে শেখের হাটের উত্তর পাশে আবদুল আলীর বাড়িতে লাগা আগুনে রবি সওদাগর, দেলোয়ার, আনোয়ার ও নুর আলমের চারটি পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি, অগ্নিকাণ্ডে তাদের ঘরে থাকা নগদ প্রায় ৬ লাখ টাকা, ৬ ভরি স্বর্ণালংকারসহ‌ মোবাইল ফোন, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক অর্ধকোটি টাকা ।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের কোনো ইউনিট ঘটনাস্থলে না যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন—আগুন লাগার খবর পাওয়ার পরও ফায়ার সার্ভিস কেন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি? একই সঙ্গে আগুনের প্রকৃত উৎস ও ক্ষয়ক্ষতির সরকারি নিরূপণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মথিন্দ্র ত্রিপুরা জানান, যে ফোন নম্বর থেকে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ দেওয়া হয়েছিল, সেই নম্বর থেকেই পরবর্তীতে জানানো হয় যে আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে, তাই ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে স্থানীয়দের দাবি, এমন পরিস্থিতিতেও ফায়ার সার্ভিসের ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করা উচিত ছিল।

ঘটনাটি তদন্ত করে আগুনের প্রকৃত কারণ নির্ণয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

যেভাবে চট্টগ্রাম হয়ে উঠল “জুলুসের শহর”, জশনে জুলুসের পাঁচ দশকের ইতিহাস

সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চার পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই, অর্ধকোটি টাকা ক্ষতি

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৫৭:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার সৈয়দপুর ইউনিয়নের পূর্ববাকখালী ৪নং ওয়ার্ডের শেখের হাট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

শ‌নিবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে শেখের হাটের উত্তর পাশে আবদুল আলীর বাড়িতে লাগা আগুনে রবি সওদাগর, দেলোয়ার, আনোয়ার ও নুর আলমের চারটি পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি, অগ্নিকাণ্ডে তাদের ঘরে থাকা নগদ প্রায় ৬ লাখ টাকা, ৬ ভরি স্বর্ণালংকারসহ‌ মোবাইল ফোন, আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক অর্ধকোটি টাকা ।

এদিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের কোনো ইউনিট ঘটনাস্থলে না যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসীর প্রশ্ন—আগুন লাগার খবর পাওয়ার পরও ফায়ার সার্ভিস কেন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি? একই সঙ্গে আগুনের প্রকৃত উৎস ও ক্ষয়ক্ষতির সরকারি নিরূপণ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের টিম লিডার মথিন্দ্র ত্রিপুরা জানান, যে ফোন নম্বর থেকে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ দেওয়া হয়েছিল, সেই নম্বর থেকেই পরবর্তীতে জানানো হয় যে আগুন নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে, তাই ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে স্থানীয়দের দাবি, এমন পরিস্থিতিতেও ফায়ার সার্ভিসের ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করা উচিত ছিল।

ঘটনাটি তদন্ত করে আগুনের প্রকৃত কারণ নির্ণয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রদানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;