গরু নিয়ে যাওয়ার ৮ দিনেও উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়েছে সীতাকুণ্ড পুলিশ। গত ২৯ ডিসেম্বর গভীর রাতে উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর বাঁশবাড়িয়ায় ইসমাইল হোসেনের মালিকানাধীন এন আই এগ্রো ফার্মে ডাকাত দল খামারী মালিকসহ দুইজনকে অস্ত্রের মূখে হাত, পা বেঁধে ১২টি গরু নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ফার্মের মালিক সীতাকুণ্ড মডেল থানায় মামলা দায়ের করলেও পুলিশ ৮ দিনেও গরুর সন্ধান দিতে পারেনি।
স্বাবলম্বী হওয়ার আশায় চার বছর আগে চাকরি ছেড়ে গরুর খামার গড়ে তুলেছিলেন উদ্যোক্তা নজরুল ইসলাম। খামারে ছিল ২৫ লাখ টাকা দামের ১৩টি গরু। খামারের গরু ও গরুর দুধ বিক্রি করে লাভের মুখও দেখছিলেন। কিন্তু এক রাতেই নিঃস্ব হয়ে গেলেন তিনি ও তার অপর পাটনার আনোয়ার । খামারে থাকা লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটে নেয় ১২টি গরু। এ ঘটনায় বাক্রুদ্ধ হয়ে পড়েছেন তিনি। খামারি নজরুল ইসলাম বলেন, অনেক কষ্ট করে, খামারটি গড়ে তুলেছিলাম। একরাতেই আমাকে নিঃস্ব করে দিয়েছে। এতদিন হওয়ার পরও পুলিশ প্রশাসন গরু উদ্ধারে কোন ধরনের ভূমিকা রাখতে পারেনি।
উল্লেখ যে, এর আগে গত ১৯ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামে আসার পথে সীতাকুণ্ডে ডাকাতদল অস্ত্রের মুখে ট্রাক চালককে জিন্মি করে ২৮ টি গরু লুট করে নিয়ে যায়। পরে অবশ্য পুলিশ অভিযান চালিয়ে ও পাবলিকের সহযোগীতায় তা উদ্ধার করতে পারলেও ১০ দিনের ভিতরে আবারও ডাকাতি হওয়া ১২টি গরু উদ্ধারে তেমন কোন তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। সীতাকুণ্ডে একের পর এক চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদকসহ নানা অপরাধে আইনশৃঙ্খলার অবনতি বলেই মনে করছেন জনসাধারণ।
অনেকেই মন্তব্য করছেন,নতুন ও উত্তর বঙ্গে বাড়ী বর্তমান ওসির।সীতাকুণ্ডের অনেক কিছুই তার অজানা, সীতাকুণ্ডের নারী নক্ষত্র জানা ও সাধারণ পাবলিকের সাথে মিশুক ওসি প্রয়োজন। যা বর্তমানে খুবই অভাব দেখা গেছে। পুলিশ চাইলে একদিনেই উদ্ধার সম্ভব বলেও ক্ষতিগ্রহগ্হরা মন্তব্য করেন।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি বিভিন্ন থানায় খুদে বার্তা দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গরু উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে বলে জানান তিনি।
খালেদ / পোস্টকার্ড ;




















