১২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফুলের ভালোবাসায় সুরভিত মেলাঙ্গন

শীতল সকালে মানুষের ঢল নেমেছে ফুলের মেলায়। লাখো রঙিন ফুলের সমারোহে যেন রঙিন হয়ে উঠেছে পুরো উৎসবস্থল। প্রতিদিনই ভিড় বাড়ছে, আসছেন নানা বয়সের মানুষ—শুধু ফুল দেখতে নয়, ফুলের ঘ্রাণে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে। কেউ আসছেন পরিবারের সঙ্গে, কেউ প্রিয়জনের হাত ধরে, কেউ বা একা। তবে সকলের একটাই উদ্দেশ্য—ফুলের ভালোবাসা অনুভব করা।

বিভিন্ন প্রজাতির দেশি-বিদেশি ফুল সাজানো হয়েছে সুনিপুণভাবে। গোলাপ, গাঁদা, লিলি, অর্কিড, চন্দ্রমল্লিকা, রজনীগন্ধা—নানা নাম, নানা রঙের ফুল যেন এক মোহময় পরিবেশ তৈরি করেছে। একেকটা প্যাভিলিয়নের সামনে দাঁড়িয়ে দর্শনার্থীরা ছবি তুলছেন, সেলফি নিচ্ছেন, কেউ কেউ আবার রীতিমতো ফুলের গল্প শোনাচ্ছেন সঙ্গীদের।

উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ “ফুলের করিডোর”। এই অংশে হেঁটে যাওয়ার সময় চারপাশের ফুলের গন্ধে মন ভালো হয়ে যায়। শিশুরা দৌড়ে বেড়াচ্ছে, তরুণ-তরুণীরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে ছবি তুলছে, আর বয়স্ক দর্শনার্থীরা স্মৃতি রোমন্থন করছেন।

জলাশয়ে আছে কৃত্রিম ঝরনা

মেলা সুত্রে জানা যায় “এই মেলায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসছেন। আমরা চেষ্টা করেছি প্রকৃতির রূপ ও সৌন্দর্য মানুষের কাছে তুলে ধরতে।”

বিকেলে সূর্যের লাল আলো যখন ফুলের পাঁপড়িতে পড়ে, তখন যেন রঙের আর ঘ্রাণের এক অনন্য মেলবন্ধন তৈরি হয়। দর্শনার্থীরা বলেন, এই দৃশ্য শুধু চোখ নয়, মনও জয় করে।

দর্শনার্থী প্রাপ্তি বললেন, “এখানে এলে মন ভালো হয়ে যায়। ফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, এক ধরনের প্রশান্তি দেয়। জীবনযাপনের ক্লান্তির মাঝে কিছু সময়ের জন্য হলেও যেন প্রাণ ফিরে পাই।”

মেলায় রয়েছে ফুল বিষয়ক কর্মশালা, বিকেল থেকে রাতে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। ফলে প্রতিটি বয়সের দর্শনার্থীর জন্য রয়েছে কিছু না কিছু।

ফুল ভালোবাসার প্রতীক। আর এই উৎসবে যেন সে ভালোবাসারই জয়গান হচ্ছে। মানুষ এখানে এসে নিজেদের সঙ্গে reconnect করছে প্রকৃতির, প্রাণের ও সৌন্দর্যের।

এই মেলাঙ্গনে প্রতিদিনই যোগ হচ্ছে নতুন মুখ, নতুন অনুভব। যেন ফুলের ঘ্রাণে সুরভিত এই মাঠ হয়ে উঠেছে প্রাণের মিলনমেলা।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

সিপিডিএলে ‘ট্রান্সফরমেশন থ্রু বিজনেস ইনোভেশন’ শীর্ষক সেশন অনুষ্ঠিত

ফুলের ভালোবাসায় সুরভিত মেলাঙ্গন

প্রকাশিত হয়েছে: ১০:৪৪:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

শীতল সকালে মানুষের ঢল নেমেছে ফুলের মেলায়। লাখো রঙিন ফুলের সমারোহে যেন রঙিন হয়ে উঠেছে পুরো উৎসবস্থল। প্রতিদিনই ভিড় বাড়ছে, আসছেন নানা বয়সের মানুষ—শুধু ফুল দেখতে নয়, ফুলের ঘ্রাণে নিজেকে হারিয়ে ফেলতে। কেউ আসছেন পরিবারের সঙ্গে, কেউ প্রিয়জনের হাত ধরে, কেউ বা একা। তবে সকলের একটাই উদ্দেশ্য—ফুলের ভালোবাসা অনুভব করা।

বিভিন্ন প্রজাতির দেশি-বিদেশি ফুল সাজানো হয়েছে সুনিপুণভাবে। গোলাপ, গাঁদা, লিলি, অর্কিড, চন্দ্রমল্লিকা, রজনীগন্ধা—নানা নাম, নানা রঙের ফুল যেন এক মোহময় পরিবেশ তৈরি করেছে। একেকটা প্যাভিলিয়নের সামনে দাঁড়িয়ে দর্শনার্থীরা ছবি তুলছেন, সেলফি নিচ্ছেন, কেউ কেউ আবার রীতিমতো ফুলের গল্প শোনাচ্ছেন সঙ্গীদের।

উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ “ফুলের করিডোর”। এই অংশে হেঁটে যাওয়ার সময় চারপাশের ফুলের গন্ধে মন ভালো হয়ে যায়। শিশুরা দৌড়ে বেড়াচ্ছে, তরুণ-তরুণীরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে ছবি তুলছে, আর বয়স্ক দর্শনার্থীরা স্মৃতি রোমন্থন করছেন।

জলাশয়ে আছে কৃত্রিম ঝরনা

মেলা সুত্রে জানা যায় “এই মেলায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসছেন। আমরা চেষ্টা করেছি প্রকৃতির রূপ ও সৌন্দর্য মানুষের কাছে তুলে ধরতে।”

বিকেলে সূর্যের লাল আলো যখন ফুলের পাঁপড়িতে পড়ে, তখন যেন রঙের আর ঘ্রাণের এক অনন্য মেলবন্ধন তৈরি হয়। দর্শনার্থীরা বলেন, এই দৃশ্য শুধু চোখ নয়, মনও জয় করে।

দর্শনার্থী প্রাপ্তি বললেন, “এখানে এলে মন ভালো হয়ে যায়। ফুল শুধু সৌন্দর্য নয়, এক ধরনের প্রশান্তি দেয়। জীবনযাপনের ক্লান্তির মাঝে কিছু সময়ের জন্য হলেও যেন প্রাণ ফিরে পাই।”

মেলায় রয়েছে ফুল বিষয়ক কর্মশালা, বিকেল থেকে রাতে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। ফলে প্রতিটি বয়সের দর্শনার্থীর জন্য রয়েছে কিছু না কিছু।

ফুল ভালোবাসার প্রতীক। আর এই উৎসবে যেন সে ভালোবাসারই জয়গান হচ্ছে। মানুষ এখানে এসে নিজেদের সঙ্গে reconnect করছে প্রকৃতির, প্রাণের ও সৌন্দর্যের।

এই মেলাঙ্গনে প্রতিদিনই যোগ হচ্ছে নতুন মুখ, নতুন অনুভব। যেন ফুলের ঘ্রাণে সুরভিত এই মাঠ হয়ে উঠেছে প্রাণের মিলনমেলা।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;