মহান আল্লাহর অসীম কৃপায় যুগে যুগে নবী-রাসূল ও আসমানি কিতাব এসেছে মানবজাতিকে সঠিক পথ দেখাতে। আইয়্যামে জাহেলিয়তের চরম অন্ধকার ও বর্বরতার যুগে খোদার হাবীব হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (দ.)-এর ধরাধামে আগমন মানবজাতিকে শিখিয়েছে সিজদায় নত হয়ে একমাত্র রবের আনুগত্য, তাকওয়া ও তওবার আলোকময় জীবন। গতকাল মঙ্গলবার বাদে জোহর চট্টগ্রামের কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবারে ৭৩তম পবিত্র জশ্নে জুলুছে ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক বিশাল মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোর্শেদে আজম মাদ্দাজিল্লুহুল আলী এসব কথা বলেন।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে আরও বলেন, নবীজির তিরোধানের পর এই মহান দায়িত্ব পালন করে আসছেন অলি আল্লাহগণ। কালের পরিক্রমায় মকামে গাউছিয়্যতে আসীন খলিফায়ে রাসূল (দ.) মানবজাতির এই ক্রান্তিলগ্নে যুবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন—‘হে যুবক নামাজ পড়, রোজা রাখ, নবী করিম (দ.) এর উপর দরূদ পড় এবং মাতৃভূমি শান্ত কর’। এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে অগণিত যুবকের স্বতঃস্ফূর্ত সমাগম আজ লক্ষণীয়। জুলুসের এই চেতনা কেবল রবিউল আউয়ালে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা বছর ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে নবীজির সুন্নাহ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতে হবে।
চবি সিনেট সদস্য এবং মুনিরীয়া যুব তবলীগ কমিটির মহাসচিব প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আবুল মনছুরের সভাপতিত্বে মাহফিলে আরও বক্তব্য রাখেন প্রফেসর ড. জালাল আহমদ, উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম, মাওলানা মুহাম্মদ আবদুস সবুর এবং মাওলানা মুহাম্মদ গোলাম রাব্বানি ফয়সাল।
মাহফিলের শেষ পর্যায়ে মিলাদ ও কিয়াম অনুষ্ঠিত হয়। পরে দেশ, জাতি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন প্রধান মেহমান। এ সময় কাগতিয়া আলীয়া গাউছুল আজম দরবারের প্রতিষ্ঠাতা হযরত শায়খ ছৈয়্যদ গাউছুল আজম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর ফুয়ুজাত কামনা করা হয়।
খালেদ / পোস্টকার্ড ;


















