প্রাতিষ্ঠানিক ব্যস্ততার ভিড়ে কর্পোরেট গণ্ডি পেরিয়ে এক উষ্ণ পরিবারের রূপ নিয়েছে ‘সিপিডিএল ফ্যামিলি’। কাজের স্বীকৃতি, পারস্পরিক কৃতজ্ঞতাবোধ এবং আনন্দ ভাগাভাগি করার দীর্ঘদিনের সংস্কৃতি হিসেবে প্রতি মাসেই আয়োজিত হয়ে থাকে তাদের ঐতিহ্যবাহী ‘মান্থলি থাঙ্কসগিভিং সেশন’ বা মাসিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন অনুষ্ঠান।
কৃতজ্ঞতা ও উপলব্ধির অনন্য সংস্কৃতি: সিপিডিএলের এই অভিনব আয়োজনের মূল লক্ষ্য হলো সীমানা ছাড়িয়ে প্রতিটি ব্যক্তি ও দলের অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য মাসের শেষে একে অপরের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা। তাদের বিশ্বাস, কারো নিষ্ঠা ও স্মার্ট কাজের প্রশংসা করার মাধ্যমে যেমন অপরকে খুশি করা যায়, তেমনি তা প্রশংসা প্রদানকারীকেরও মনেও আনন্দ বয়ে আনে। এই চর্চাই তাদের মূল দর্শন—“এনলাইটেনিং হ্যাপিনেস” বা সুখ ছড়িয়ে দেওয়ার বার্তা বহন করে। এই সংস্কৃতি সবার মধ্যকার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি সমাজ গঠনে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার শক্তি জোগায়।
জন্মদিন ও বিশেষ উদযাপনের আনন্দ: কৃতজ্ঞতা প্রকাশের এই মিলনমেলায় শুধু কাজের মূল্যায়নই হয় না, বরং সাড়ম্বরে উদযাপিত হয় একে অপরের ব্যক্তিগত অর্জনগুলো। জন্মদিনের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া, কর্মজীবনের পদার্পণের বর্ষপূর্তি (ওয়ার্ক অ্যানিভার্সারি) উদযাপন এবং নতুন মুখদের সিপিডিএল পরিবারে বরণ করে নেওয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি এক বর্ণিল রূপ নেয়। বিশেষ করে, সম্প্রতি সিপিডিএল ফ্যামিলির পক্ষ থেকে জুলাই ২০২৬ মাসে জন্ম নেওয়া সকল সদস্যকে জানানো হয়েছে উষ্ণ ও আন্তরিক শুভেচ্ছা।
দিনশেষে এমন নিয়মিত আয়োজনগুলো সহকর্মীদের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও মেলবন্ধন বাড়িয়ে তোলে, যা কাজের পরিবেশকে করে তোলে আরও গতিশীল ও প্রাণবন্ত।
খালেদ / পোস্টকার্ড



















