চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের সলিমপুর ইউনিয়নের কালুশাহ নগর ওভারব্রিজ (ফকিরহাট) এলাকায় চলন্ত একটি স্ক্র্যাপবোঝাই লরিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে ঢাকামুখী লেনে এ ঘটনা ঘটে। আগুনে লরিটির ইঞ্জিনের সামনের অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায় এবং প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
স্থানীয়রা জানান, আবুল খায়ের স্টিল মিলস (একেএস)-এর একটি স্ক্র্যাপবোঝাই লরি চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কারখানার উদ্দেশে যাচ্ছিল। পথে কালুশাহ নগর ওভারব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে হঠাৎ ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে চালক লরিটি সড়কের পাশে থামিয়ে নিরাপদে নেমে যান।
খবর পেয়ে কুমিরা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে আগুন লাগার ঘটনায় ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের একাংশে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এতে উভয় পাশে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। শত শত পণ্যবাহী ট্রাক, যাত্রীবাহী বাস ও ব্যক্তিগত যানবাহন দীর্ঘ সময় আটকে থাকায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পরে পুড়ে যাওয়া লরিটি সরিয়ে নেওয়ার পর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
আবুল খায়ের স্টিল মিলসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. ইমরুল কাদের ভূঁইয়া বলেন, কী কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
বার আউলিয়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল আমিন বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লরির ইঞ্জিনে আগুন লাগে। কুমিরা ফায়ার সার্ভিস দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। কিছু সময় যানজট থাকলেও বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডোর। এ মহাসড়কে এ ধরনের দুর্ঘটনার কারণে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হলে শিল্পকারখানার কাঁচামাল ও পণ্য পরিবহন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি জরুরি সেবার যানবাহনের চলাচলেও বিঘ্ন ঘটে। একই সঙ্গে যাত্রীদের সময় ও জ্বালানির অপচয়সহ সামগ্রিক জনভোগান্তি বেড়ে যায়।
খালেদ / পোস্টকার্ড ;



















