০৯:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক, বিআরটিএ-এর সতর্কবার্তা

মোটরযান বিক্রির পর নির্ধারিত নিয়মে মালিকানা হস্তান্তর সম্পন্ন না করলে বিক্রেতাকে বড় ধরনের আর্থিক দায় ও আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে সম্প্রতি মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন সম্পন্ন করার জন্য জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বুধবার (২৪ জুন) সংস্থাটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আইনি জটিলতা ও আর্থিক দায়
বিআরটিএ জানায়, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই গাড়ি বিক্রির পর নতুন ক্রেতারা মালিকানা পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না করেই সেটি ব্যবহার করছেন। এর ফলে যানবাহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর, সারচার্জ ও অন্যান্য আর্থিক দায় পুরনো মালিকের নামেই বহাল থাকছে।

সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী, মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক। এই আইন অনুসরণ না করায় যানবাহনের অগ্রিম আয়কর, বিশেষ ক্ষেত্রে ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জের মতো বাড়তি আর্থিক দায়ভার বিক্রেতাদের ওপর বর্তাচ্ছে।

সহজ হয়েছে মালিকানা বদলের প্রক্রিয়া
জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে বিআরটিএ মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি এখন আরও সহজ করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী:
১. প্রথমে অনলাইনে (https://bsp.brta.gov.bd/) আবেদন করতে হবে।
২. এরপর বিক্রেতার উপস্থিতিতে হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক যাচাই সম্পন্ন করতে হবে।
৩. যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করলে একই দিনেই মালিকানা হস্তান্তরের কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব।
৪. একই সাথে নতুন মালিকও ডিজিটাল নিবন্ধন সনদের জন্য তার বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করতে পারবেন।

সতর্কবার্তা
বিআরটিএ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, যানবাহন বিক্রির পর যথাযথভাবে মালিকানা পরিবর্তন না করলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। আইন অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

নিজেদের সুরক্ষায় এবং আইনি জটিলতা এড়াতে মোটরযান বিক্রির পরপরই ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কে বিআরটিএ-এর এই প্রক্রিয়া অনুসরণের অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

জলিল টেক্সটাইলে তৈরি হবে অত্যাধুনিক অস্ত্র, আজ হস্তান্তর

মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক, বিআরটিএ-এর সতর্কবার্তা

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৩৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

মোটরযান বিক্রির পর নির্ধারিত নিয়মে মালিকানা হস্তান্তর সম্পন্ন না করলে বিক্রেতাকে বড় ধরনের আর্থিক দায় ও আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে সম্প্রতি মোটরযানের মালিকানা পরিবর্তন সম্পন্ন করার জন্য জরুরি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বুধবার (২৪ জুন) সংস্থাটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।

আইনি জটিলতা ও আর্থিক দায়
বিআরটিএ জানায়, বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রেই গাড়ি বিক্রির পর নতুন ক্রেতারা মালিকানা পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন না করেই সেটি ব্যবহার করছেন। এর ফলে যানবাহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর, সারচার্জ ও অন্যান্য আর্থিক দায় পুরনো মালিকের নামেই বহাল থাকছে।

সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ২১ ধারা অনুযায়ী, মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন করা বাধ্যতামূলক। এই আইন অনুসরণ না করায় যানবাহনের অগ্রিম আয়কর, বিশেষ ক্ষেত্রে ১৫০ শতাংশ পর্যন্ত অগ্রিম আয়কর এবং পরিবেশ সারচার্জের মতো বাড়তি আর্থিক দায়ভার বিক্রেতাদের ওপর বর্তাচ্ছে।

সহজ হয়েছে মালিকানা বদলের প্রক্রিয়া
জনসাধারণের ভোগান্তি কমাতে বিআরটিএ মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি এখন আরও সহজ করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী:
১. প্রথমে অনলাইনে (https://bsp.brta.gov.bd/) আবেদন করতে হবে।
২. এরপর বিক্রেতার উপস্থিতিতে হ্যান্ডহেল্ড ডিভাইসের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক যাচাই সম্পন্ন করতে হবে।
৩. যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদন করলে একই দিনেই মালিকানা হস্তান্তরের কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব।
৪. একই সাথে নতুন মালিকও ডিজিটাল নিবন্ধন সনদের জন্য তার বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করতে পারবেন।

সতর্কবার্তা
বিআরটিএ স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, যানবাহন বিক্রির পর যথাযথভাবে মালিকানা পরিবর্তন না করলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের আইনি জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। আইন অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

নিজেদের সুরক্ষায় এবং আইনি জটিলতা এড়াতে মোটরযান বিক্রির পরপরই ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কে বিআরটিএ-এর এই প্রক্রিয়া অনুসরণের অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;