উপকূলীয় শহর সীতাকুণ্ডের লতিফপুর এলাকায় শৌখিন বাগানচাষি জাহেদের ছাদ বাগানে ঝুলে আছে থোকায় থোকায় মিষ্টি আঙুর। প্রতিকূল আবহাওয়া আর তীব্র গরমকে জয় করে বিদেশি এই ফলের সফল ফলন ঘটিয়ে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন তিনি।
লতিফপুর এলাকার বাসিন্দা জাহেদ তার বাড়ির ছাদে শখের বশে আঙুর চাষ শুরু করেন। সঠিক পরিচর্যা আর পরিশ্রমের ফলে এ বছর তার প্রতিটি গাছে আঙুরের বাম্পার ফলন হয়েছে। আঙুরগুলো কেবল দেখতেই সুন্দর নয়, স্বাদেও বেশ মিষ্টি। ছাদ বাগানে বিদেশের মাটি ছাড়াই এমন ফলন দেখে অবাক হচ্ছেন প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা।
তবে ফলন ভালো হলেও বর্তমান আবহাওয়া নিয়ে কিছুটা চিন্তিত এই বাগানচাষি। জাহেদ জানান, সাম্প্রতিক অতিরিক্ত গরম এবং আকস্মিক বৃষ্টির কারণে আঙুরগুলো নষ্ট হওয়ার উপক্রম হচ্ছে। এছাড়া পাখির উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় গাছ থেকে ফল সংগ্রহ বা হারভেস্ট শুরু করেছেন তিনি। আজ বুধবার তিনি তার বাগানের প্রথম ধাপের আঙুর সংগ্রহ করেন।

ছাদ বাগানি জাহেদ বলেন, “অতিরিক্ত গরম আর বৃষ্টির কারণে আঙুরগুলো আর গাছে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তাই আজ কিছু ফল সংগ্রহ করলাম। আমার আঙুরগুলো আলহামদুলিল্লাহ বেশ মিষ্টি হয়েছে।”
নিজের এই সাফল্যে আনন্দিত জাহেদ প্রতিবেশী ও পরিচিতজনদের প্রতি উদারতা দেখিয়ে আঙুর খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছেন। তার এই সাফল্য দেখে স্থানীয় অনেক যুবক ও শৌখিন মানুষ এখন ছাদ বাগানে আঙুর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, উপকূলীয় এলাকায় লবণাক্ত আবহাওয়া সত্ত্বেও উন্নত জাতের আঙুর চাষের এই সফলতা অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা। সঠিক জাত নির্বাচন এবং ছাদে মাচা পদ্ধতির মাধ্যমে বাণিজ্যিকভাবে না হলেও পারিবারিক পুষ্টি চাহিদা মেটাতে আঙুর চাষ করা সম্ভব।
খালেদ / পোস্টকার্ড ;




















