১০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে বেগুন ক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়ন থামছে না গুপ্তহত্যার মিছিল। একের পর এক হত্যাকাণ্ডে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সর্বশেষ আজ বুধবার সকালে মুরাদপুরের একটি টমেটো ক্ষেত থেকে সজীব চৌধুরী আকাশ (২৫) নামে এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সজীব চৌধুরী আকাশের বাড়ি মিরসরাই এলাকায় হলেও তিনি সীতাকুণ্ডে বিয়ে করেছেন এবং এটি তার নানার বাড়ি। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। আজ সকালে স্থানীয়রা টমেটো ক্ষেতে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ৫ বছরে মুরাদপুর ইউনিয়নে অন্তত ৮ জন গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছেন। এসব হত্যাকাণ্ডের ধরন প্রায় একই—প্রথমে অজ্ঞাত হিসেবে মরদেহ উদ্ধার করা হয়, পরে দলীয় বা ব্যক্তিগত কোন্দলের জেরে হত্যার বিষয়টি সামনে আসে।

গত জাতীয় নির্বাচনের মাত্র ৫ দিন আগে বাচা মিয়া (৩৫) নামে এক যুবককে একইভাবে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়েছিল।

কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রকৃত অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

এবারের হত্যাকাণ্ড নিয়েও পুলিশের পক্ষ থেকে তথ্য দিতে গড়িমসি করার অভিযোগ উঠেছে। মরদেহ উদ্ধারকারী কর্মকর্তা এসআই বিল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

পেশাদার অপরাধী নাকি রাজনৈতিক কোন্দল—ঠিক কী কারণে সজীবকে প্রাণ দিতে হলো, তা নিয়ে এলাকায় ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। নিহতের পরিবার এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

জলিল টেক্সটাইলে তৈরি হবে অত্যাধুনিক অস্ত্র, আজ হস্তান্তর

সীতাকুণ্ডে বেগুন ক্ষেত থেকে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৫৩:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়ন থামছে না গুপ্তহত্যার মিছিল। একের পর এক হত্যাকাণ্ডে এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সর্বশেষ আজ বুধবার সকালে মুরাদপুরের একটি টমেটো ক্ষেত থেকে সজীব চৌধুরী আকাশ (২৫) নামে এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সজীব চৌধুরী আকাশের বাড়ি মিরসরাই এলাকায় হলেও তিনি সীতাকুণ্ডে বিয়ে করেছেন এবং এটি তার নানার বাড়ি। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। আজ সকালে স্থানীয়রা টমেটো ক্ষেতে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গত ৫ বছরে মুরাদপুর ইউনিয়নে অন্তত ৮ জন গুপ্তহত্যার শিকার হয়েছেন। এসব হত্যাকাণ্ডের ধরন প্রায় একই—প্রথমে অজ্ঞাত হিসেবে মরদেহ উদ্ধার করা হয়, পরে দলীয় বা ব্যক্তিগত কোন্দলের জেরে হত্যার বিষয়টি সামনে আসে।

গত জাতীয় নির্বাচনের মাত্র ৫ দিন আগে বাচা মিয়া (৩৫) নামে এক যুবককে একইভাবে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়েছিল।

কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রকৃত অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

এবারের হত্যাকাণ্ড নিয়েও পুলিশের পক্ষ থেকে তথ্য দিতে গড়িমসি করার অভিযোগ উঠেছে। মরদেহ উদ্ধারকারী কর্মকর্তা এসআই বিল্লাহর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

পেশাদার অপরাধী নাকি রাজনৈতিক কোন্দল—ঠিক কী কারণে সজীবকে প্রাণ দিতে হলো, তা নিয়ে এলাকায় ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। নিহতের পরিবার এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছে।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;