০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চার দশকের উন্নয়ন বিপ্লব: ‘দ্য গার্ডিয়ান’ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে ইপসা ও ড. মো. আরিফুর রহমান

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের উন্নয়ন সাংবাদিকতায় নির্ভরযোগ্য নাম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ (The Guardian) ম্যাগাজিন। ২০২৬ সালের জানুয়ারি সংখ্যায় তারা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইপসা (YPSA) এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ড. মো. আরিফুর রহমান-এর দীর্ঘ ৪০ বছরের উন্নয়ন যাত্রার গল্প। ম্যাগাজিনটির প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে ড. আরিফের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন এবং ইপসার সফলতার নেপথ্য দর্শন উঠে এসেছে।

৪ দশকের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব: ১৯৮৫ থেকে ২০২৬

১৯৮৫ সালে ‘আন্তর্জাতিক যুব বর্ষ’ উপলক্ষে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে একদল স্বপ্নবাজ তরুণের হাত ধরে যাত্রা শুরু করেছিল ইপসা। আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে সংস্থাটি তার গৌরবের ৪০ বছর পূর্ণ করেছে। প্রচ্ছদে ড. আরিফের বলিষ্ঠ কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছে ইপসার মূল লক্ষ্য— “বাংলাদেশে সবার জন্য মৌলিক চাহিদা ও অধিকার নিশ্চিত করাই ইপসার স্বপ্ন।”

সাক্ষাৎকারের মূল অংশ: ড. মো. আরিফুর রহমানের জবানবন্দিতে

সাক্ষাৎকারে ড. আরিফ ইপসার চার দশকের দীর্ঘ পথচলার পরতে পরতে থাকা চ্যালেঞ্জ এবং সাফল্যের কথা শেয়ার করেছেন। সাক্ষাৎকারের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

১. ইপসার শুরু ও সামাজিক আন্দোলন: ড. আরিফ জানান, ইপসা কেবল একটি এনজিও নয়, এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। চট্টগ্রামের স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে আজ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইপসা যে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে, তার মূলে রয়েছে সাধারণ মানুষের আস্থা। যুব নেতৃত্বকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে সামাজিক পরিবর্তন আনা যায়, ইপসা তার এক অনন্য উদাহরণ।

২. কমিউনিটি রেজিলিয়েন্স ও দুর্যোগ মোকাবিলা: উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ইপসার ভূমিকা আজ সর্বজনস্বীকৃত। ড. আরিফ বলেন, “আমরা শুধু ত্রাণ বিতরণে বিশ্বাসী নই, আমরা মানুষকে স্বাবলম্বী করতে এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে কাজ করি।”

৩. টেকসই উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতিটি ধাপে ইপসা সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, মানবাধিকার এবং টেকসই পরিবেশ রক্ষায় ইপসার উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো আন্তর্জাতিক মহলেও প্রশংসিত হয়েছে।

কেন এটি একটি ‘মাস্ট-রিড’ ফিচার?

উন্নয়ন কর্মী, গবেষক এবং তরুণ সমাজসেবকদের জন্য এই সাক্ষাৎকারটি একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন। এতে উঠে এসেছে:

  • কীভাবে একটি স্থানীয় সংগঠনকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা যায়।
  • তৃণমূল পর্যায়ে কমিউনিটি লিডারশিপ তৈরির কৌশল।
  • বাংলাদেশের গত ৪০ বছরের উন্নয়ন বিবর্তনের ইতিহাস।

শেষ কথা

ড. মো. আরিফুর রহমানের এই বিশেষ ফিচারটি উন্নয়নশীল বাংলাদেশের এক জীবন্ত দলিল। যারা সমাজ পরিবর্তন এবং নেতৃত্ব নিয়ে কাজ করতে চান, তাদের জন্য এই সাক্ষাৎকারটি অত্যন্ত অনুপ্রেরণামূলক।

পুরো সাক্ষাৎকার ও বিস্তারিত প্রতিবেদনটি ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন:

https://ypsa.org/ypsa/wp-content/uploads/2026/03/YPSA-Guardian-Megazine-2026.pdf?fbclid=IwY2xjawQSNJFleHRuA2FlbQIxMABicmlkETF6bzZoWFo5clRScHhzRnBzc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHoWMRNU2bX5gm73r9vpIqivme3wBB0jdvf1w8o9CnT8huaQCnUl-bjVe4gIr_aem_f3yRIyJsPmQnvXqklIrQ_A

খালেদ / পোস্টকার্ড ;

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

‘অ্যামেজিং চট্টগ্রাম’: আন্তর্জাতিক মানের নগর গড়তে সিপিডিএলের মহাপরিকল্পনা

চার দশকের উন্নয়ন বিপ্লব: ‘দ্য গার্ডিয়ান’ ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে ইপসা ও ড. মো. আরিফুর রহমান

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের উন্নয়ন সাংবাদিকতায় নির্ভরযোগ্য নাম ‘দ্য গার্ডিয়ান’ (The Guardian) ম্যাগাজিন। ২০২৬ সালের জানুয়ারি সংখ্যায় তারা বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইপসা (YPSA) এবং এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ড. মো. আরিফুর রহমান-এর দীর্ঘ ৪০ বছরের উন্নয়ন যাত্রার গল্প। ম্যাগাজিনটির প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে ড. আরিফের বর্ণাঢ্য কর্মজীবন এবং ইপসার সফলতার নেপথ্য দর্শন উঠে এসেছে।

৪ দশকের উন্নয়ন অংশীদারিত্ব: ১৯৮৫ থেকে ২০২৬

১৯৮৫ সালে ‘আন্তর্জাতিক যুব বর্ষ’ উপলক্ষে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে একদল স্বপ্নবাজ তরুণের হাত ধরে যাত্রা শুরু করেছিল ইপসা। আজ ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে সংস্থাটি তার গৌরবের ৪০ বছর পূর্ণ করেছে। প্রচ্ছদে ড. আরিফের বলিষ্ঠ কণ্ঠে উচ্চারিত হয়েছে ইপসার মূল লক্ষ্য— “বাংলাদেশে সবার জন্য মৌলিক চাহিদা ও অধিকার নিশ্চিত করাই ইপসার স্বপ্ন।”

সাক্ষাৎকারের মূল অংশ: ড. মো. আরিফুর রহমানের জবানবন্দিতে

সাক্ষাৎকারে ড. আরিফ ইপসার চার দশকের দীর্ঘ পথচলার পরতে পরতে থাকা চ্যালেঞ্জ এবং সাফল্যের কথা শেয়ার করেছেন। সাক্ষাৎকারের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

১. ইপসার শুরু ও সামাজিক আন্দোলন: ড. আরিফ জানান, ইপসা কেবল একটি এনজিও নয়, এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। চট্টগ্রামের স্থানীয় পর্যায় থেকে শুরু করে আজ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইপসা যে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে, তার মূলে রয়েছে সাধারণ মানুষের আস্থা। যুব নেতৃত্বকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে সামাজিক পরিবর্তন আনা যায়, ইপসা তার এক অনন্য উদাহরণ।

২. কমিউনিটি রেজিলিয়েন্স ও দুর্যোগ মোকাবিলা: উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ইপসার ভূমিকা আজ সর্বজনস্বীকৃত। ড. আরিফ বলেন, “আমরা শুধু ত্রাণ বিতরণে বিশ্বাসী নই, আমরা মানুষকে স্বাবলম্বী করতে এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন করতে কাজ করি।”

৩. টেকসই উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: সাক্ষাৎকারে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতিটি ধাপে ইপসা সরকারের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। বিশেষ করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, মানবাধিকার এবং টেকসই পরিবেশ রক্ষায় ইপসার উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো আন্তর্জাতিক মহলেও প্রশংসিত হয়েছে।

কেন এটি একটি ‘মাস্ট-রিড’ ফিচার?

উন্নয়ন কর্মী, গবেষক এবং তরুণ সমাজসেবকদের জন্য এই সাক্ষাৎকারটি একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন। এতে উঠে এসেছে:

  • কীভাবে একটি স্থানীয় সংগঠনকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা যায়।
  • তৃণমূল পর্যায়ে কমিউনিটি লিডারশিপ তৈরির কৌশল।
  • বাংলাদেশের গত ৪০ বছরের উন্নয়ন বিবর্তনের ইতিহাস।

শেষ কথা

ড. মো. আরিফুর রহমানের এই বিশেষ ফিচারটি উন্নয়নশীল বাংলাদেশের এক জীবন্ত দলিল। যারা সমাজ পরিবর্তন এবং নেতৃত্ব নিয়ে কাজ করতে চান, তাদের জন্য এই সাক্ষাৎকারটি অত্যন্ত অনুপ্রেরণামূলক।

পুরো সাক্ষাৎকার ও বিস্তারিত প্রতিবেদনটি ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন:

https://ypsa.org/ypsa/wp-content/uploads/2026/03/YPSA-Guardian-Megazine-2026.pdf?fbclid=IwY2xjawQSNJFleHRuA2FlbQIxMABicmlkETF6bzZoWFo5clRScHhzRnBzc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHoWMRNU2bX5gm73r9vpIqivme3wBB0jdvf1w8o9CnT8huaQCnUl-bjVe4gIr_aem_f3yRIyJsPmQnvXqklIrQ_A

খালেদ / পোস্টকার্ড ;