১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বঙ্গোপসাগর থেকে বালু উত্তোলনে গ্রামবাসীর বাধা, সরিয়ে নিল পাইপ

বঙ্গোপসাগর থেকে বালু উত্তোলনকালে সীতাকুণ্ডে বাধার মুখে পড়লে বালু উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত পাইপ সরিয়ে নেয় বালু উত্তোলনকারী প্রতিষ্টান।

মঙ্গলবার ( ২ ডিসেম্বর ) বিকেলে সাগরে বালু উত্তোলন করতে গেলে উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়ন এলাকার গ্রামবাসীর একত্রিত হয়ে তাদের বাধা দেয়। বাধার মুখে পড়ে বালু উত্তোলনের পাইপ সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় তারা । যদিও উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ডিপ বিগাস লিমিটেড এর কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানিয়েছে, তারা বালু উত্তোলনে জন্য চট্টগ্রাম বন্দর থেকে লিজ নিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাটিয়ারী ইউনিয়নের একটি পরিত্যক্ত শিপইয়ার্ডে সাগর থেকে উত্তোলন কৃত বালু রাখার জন্য বড় আকারের গর্ত খনন করে প্রতিষ্ঠানটি। তাছাড়া উক্ত ইয়ার্ডের দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা জানিয়েছেন, সাগর থেকে উত্তোলন কৃত বালু রাখার জন্য বড় করে খনন করা হয়েছে ইয়ার্ডের পরিত্যক্ত জায়গাটিতে। সাগর থেকে বাল্ক হেড ও ড্রেজার ব্যবহার করে পাইপ দিয়ে বালু গুলো খনন করা জায়গায় রাখা হবে।

ভাটিয়ারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল আনোয়ার বলেন, মহাসড়কের এক কিলোমিটার জায়গার মধ্যে যদি সাগর থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করে, তাহলে পরিবেশ ধ্বংস হবেই। স্থানীয় বাসিন্দারাও চরম ক্ষতির শিকার হবেন। তাছাড়া সাগর থেকে বালু উত্তোলনে ভেঙে পড়তে পারে বেড়িবাঁধ।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফখরুল ইসলাম বলেন, সমুদ্র থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোন সুযোগ নেই। শিপইয়ার্ডে স্ক্র্যাপ জাহাজ ভাঙা বা কাটিং করার জন্য লিজ দেওয়া হয়। সেখানে বালু মহাল করলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আমি শুনেছি বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে বালু উত্তোলন করা হয়। সুতরাং কেউ যদি অনুমতি না নিয়ে বালু উত্তোলন করে সেটা দেখার দায়িত্ব তাদের (বন্দরের)।

বালু উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ডিপ বিগাস লিমিটেড দায়িত্বরত কর্মকর্তা সাহিদুল আলম মাসুদ বলেন, বন্দর কর্তৃপক্ষ বালু মহলের ইজারা দিয়েছে। সেই আলোকে বালু উত্তোলন করছি। উপজেলার শীতলপুর সহ একাধিক স্থানে বালু উত্তোলন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার মামুন নামক ওই প্রতিষ্ঠানের অপর এক কর্মকর্তা।

পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক রিসার্চ অফিসার মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, বালু উত্তোলনের অনুমতি ডিসি অফিস দেয়। আমরা তো দিইনা। তবে আমরা বালু উত্তোলন এলাকায় কোন পরিবেশের ক্ষতি হলে তা পর্যবেক্ষণ করে রিপোর্ট দেয়া আমাদের কাজ।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;

জনপ্রিয় সংবাদ

‘অ্যামেজিং চট্টগ্রাম’: আন্তর্জাতিক মানের নগর গড়তে সিপিডিএলের মহাপরিকল্পনা

বঙ্গোপসাগর থেকে বালু উত্তোলনে গ্রামবাসীর বাধা, সরিয়ে নিল পাইপ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৫০:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

বঙ্গোপসাগর থেকে বালু উত্তোলনকালে সীতাকুণ্ডে বাধার মুখে পড়লে বালু উত্তোলনের জন্য ব্যবহৃত পাইপ সরিয়ে নেয় বালু উত্তোলনকারী প্রতিষ্টান।

মঙ্গলবার ( ২ ডিসেম্বর ) বিকেলে সাগরে বালু উত্তোলন করতে গেলে উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়ন এলাকার গ্রামবাসীর একত্রিত হয়ে তাদের বাধা দেয়। বাধার মুখে পড়ে বালু উত্তোলনের পাইপ সরিয়ে নিতে বাধ্য হয় তারা । যদিও উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ডিপ বিগাস লিমিটেড এর কর্মকর্তা সাংবাদিকদের জানিয়েছে, তারা বালু উত্তোলনে জন্য চট্টগ্রাম বন্দর থেকে লিজ নিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাটিয়ারী ইউনিয়নের একটি পরিত্যক্ত শিপইয়ার্ডে সাগর থেকে উত্তোলন কৃত বালু রাখার জন্য বড় আকারের গর্ত খনন করে প্রতিষ্ঠানটি। তাছাড়া উক্ত ইয়ার্ডের দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা জানিয়েছেন, সাগর থেকে উত্তোলন কৃত বালু রাখার জন্য বড় করে খনন করা হয়েছে ইয়ার্ডের পরিত্যক্ত জায়গাটিতে। সাগর থেকে বাল্ক হেড ও ড্রেজার ব্যবহার করে পাইপ দিয়ে বালু গুলো খনন করা জায়গায় রাখা হবে।

ভাটিয়ারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নুরুল আনোয়ার বলেন, মহাসড়কের এক কিলোমিটার জায়গার মধ্যে যদি সাগর থেকে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করে, তাহলে পরিবেশ ধ্বংস হবেই। স্থানীয় বাসিন্দারাও চরম ক্ষতির শিকার হবেন। তাছাড়া সাগর থেকে বালু উত্তোলনে ভেঙে পড়তে পারে বেড়িবাঁধ।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফখরুল ইসলাম বলেন, সমুদ্র থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কোন সুযোগ নেই। শিপইয়ার্ডে স্ক্র্যাপ জাহাজ ভাঙা বা কাটিং করার জন্য লিজ দেওয়া হয়। সেখানে বালু মহাল করলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে আমি শুনেছি বন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে বালু উত্তোলন করা হয়। সুতরাং কেউ যদি অনুমতি না নিয়ে বালু উত্তোলন করে সেটা দেখার দায়িত্ব তাদের (বন্দরের)।

বালু উত্তোলনকারী প্রতিষ্ঠান ডিপ বিগাস লিমিটেড দায়িত্বরত কর্মকর্তা সাহিদুল আলম মাসুদ বলেন, বন্দর কর্তৃপক্ষ বালু মহলের ইজারা দিয়েছে। সেই আলোকে বালু উত্তোলন করছি। উপজেলার শীতলপুর সহ একাধিক স্থানে বালু উত্তোলন হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার মামুন নামক ওই প্রতিষ্ঠানের অপর এক কর্মকর্তা।

পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক রিসার্চ অফিসার মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, বালু উত্তোলনের অনুমতি ডিসি অফিস দেয়। আমরা তো দিইনা। তবে আমরা বালু উত্তোলন এলাকায় কোন পরিবেশের ক্ষতি হলে তা পর্যবেক্ষণ করে রিপোর্ট দেয়া আমাদের কাজ।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;