০৩:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে উদ্ধার হওয়া আগুনে পোড়া নারীর পরিচয় মেলেনি, আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর

দীর্ঘ ১৬ দিনেও চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড মহাসড়কের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া পোড়া নারীর মরদেহটির পরিচয় সনাক্ত করা যায়নি। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) জানিয়েছে মরদেহটির আঙুল আগুনে পুড়ে যাওয়ায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করা যাচ্ছেনা । আর সেই কারণে পরিচয় শনাক্তে করা যায়নি। পরে মরদেহটি আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাদের তত্ত্বাবধানে অজ্ঞাত ওই নারীর দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ২৯ নভেম্বর গভীর রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের আব্দুল্লাহ ঘাটা এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন একটি ডিপোর সামনে থেকে আনুমানিক ৪৫ বছর বয়সী এক নারীর আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

স্থানীয়রা জানান, আগুনে পুড়ে নারীর মৃত্যুর ঘটনাটি রহস্যজনক। তারা বলেন, ওই নারী কীভাবে ঘটনাস্থলে এলেন এবং কেন নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরালেন—তা বোধগম্য নয়। তাঁদের ধারণা, পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে মরদেহে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেওয়া হতে পারে।

স্থানীয়রা আরও জানান, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির আধুনিকতার দীর্ঘ ১৬ দিনেও পরিচয় শনাক্ত না হওয়া এবং মৃত্যুর কারণ উদ্‌ঘাটন না হওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন।

ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. সোহেল রানা বলেন, আগুনে পুড়ে আঙুল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে মরদেহটি আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর জানান, মরদেহের পরিচয় ও মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে। কোনো স্বজন সামনে এলে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা হবে। এরপর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে পোড়া নারীর মরদেহের পরিচয় ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করার দাবি জানান স্থানীয়রা ।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;

জনপ্রিয় সংবাদ

জলিল টেক্সটাইলে তৈরি হবে অত্যাধুনিক অস্ত্র, আজ হস্তান্তর

সীতাকুণ্ডে উদ্ধার হওয়া আগুনে পোড়া নারীর পরিচয় মেলেনি, আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর

প্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৫২:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

দীর্ঘ ১৬ দিনেও চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড মহাসড়কের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া পোড়া নারীর মরদেহটির পরিচয় সনাক্ত করা যায়নি। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) জানিয়েছে মরদেহটির আঙুল আগুনে পুড়ে যাওয়ায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করা যাচ্ছেনা । আর সেই কারণে পরিচয় শনাক্তে করা যায়নি। পরে মরদেহটি আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাদের তত্ত্বাবধানে অজ্ঞাত ওই নারীর দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ২৯ নভেম্বর গভীর রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের আব্দুল্লাহ ঘাটা এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন একটি ডিপোর সামনে থেকে আনুমানিক ৪৫ বছর বয়সী এক নারীর আগুনে পোড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

স্থানীয়রা জানান, আগুনে পুড়ে নারীর মৃত্যুর ঘটনাটি রহস্যজনক। তারা বলেন, ওই নারী কীভাবে ঘটনাস্থলে এলেন এবং কেন নিজের শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরালেন—তা বোধগম্য নয়। তাঁদের ধারণা, পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে মরদেহে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেওয়া হতে পারে।

স্থানীয়রা আরও জানান, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির আধুনিকতার দীর্ঘ ১৬ দিনেও পরিচয় শনাক্ত না হওয়া এবং মৃত্যুর কারণ উদ্‌ঘাটন না হওয়ায় তাঁরা উদ্বিগ্ন।

ফৌজদারহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. সোহেল রানা বলেন, আগুনে পুড়ে আঙুল সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ফিঙ্গারপ্রিন্ট শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে মরদেহটি আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর জানান, মরদেহের পরিচয় ও মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে। কোনো স্বজন সামনে এলে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা হবে। এরপর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারের মাধ্যমে পোড়া নারীর মরদেহের পরিচয় ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করার দাবি জানান স্থানীয়রা ।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;