০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডের পূর্ব লালানগরে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা: পানিবন্দি হাজারো মানুষ

টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে সীতাকুণ্ড উপজেলার পূর্ব লালানগর গ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গ্রামের অধিকাংশ ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। চরম খাদ্য ও পানীয় সংকটে পড়েছেন ভুক্তভোগীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, পাহাড়ি ঢলের পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় গ্রামের নিচু এলাকাগুলোর বাড়িঘর বর্তমানে পানির নিচে। পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিয়েছে। এতে করে স্থানীয় মৎস্য খামারিরা পড়েছেন চরম লোকসানে; ভেসে গেছে অনেক পুকুরের মাছ।

যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নারী, শিশু ও বয়স্করা। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষের যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। পানির কারণে ঘর থেকে বের হতে না পারায় স্থানীয় বাসিন্দারা খাদ্য সংকটের কথা জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পরিস্থিতির অবনতি হলেও এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে বা সহায়তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাউকে দেখা যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলের পানি নিষ্কাশনের খালগুলো ভরাট ও দখল হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত খাল খনন ও সংস্কার করা না হলে বর্ষা বাড়লে দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পানিবন্দি মানুষের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

‘অ্যামেজিং চট্টগ্রাম’: আন্তর্জাতিক মানের নগর গড়তে সিপিডিএলের মহাপরিকল্পনা

সীতাকুণ্ডের পূর্ব লালানগরে ভয়াবহ জলাবদ্ধতা: পানিবন্দি হাজারো মানুষ

প্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০২:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে সীতাকুণ্ড উপজেলার পূর্ব লালানগর গ্রামের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গ্রামের অধিকাংশ ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট তলিয়ে যাওয়ায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। চরম খাদ্য ও পানীয় সংকটে পড়েছেন ভুক্তভোগীরা।

সরেজমিনে দেখা যায়, পাহাড়ি ঢলের পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় গ্রামের নিচু এলাকাগুলোর বাড়িঘর বর্তমানে পানির নিচে। পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় জলাবদ্ধতা স্থায়ী রূপ নিয়েছে। এতে করে স্থানীয় মৎস্য খামারিরা পড়েছেন চরম লোকসানে; ভেসে গেছে অনেক পুকুরের মাছ।

যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নারী, শিশু ও বয়স্করা। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষের যাতায়াত পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। পানির কারণে ঘর থেকে বের হতে না পারায় স্থানীয় বাসিন্দারা খাদ্য সংকটের কথা জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, পরিস্থিতির অবনতি হলেও এখন পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে বা সহায়তায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাউকে দেখা যায়নি।

স্থানীয়রা জানান, পাহাড় থেকে নেমে আসা ঢলের পানি নিষ্কাশনের খালগুলো ভরাট ও দখল হয়ে যাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত খাল খনন ও সংস্কার করা না হলে বর্ষা বাড়লে দুর্ভোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পানিবন্দি মানুষের জন্য জরুরি ত্রাণ সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;