বাংলাদেশের জাহাজ ভাঙা শিল্প নিয়ে বিশ্বে নানান নেতিবাচক প্রচারণা আছে এবং সেসব নেতিবাচক ধারণা নিয়েই আমরা এখানে এসেছিলাম। কিন্তু এখানে এসে দেখা গেল এই শিল্প গ্রিন ইয়ার্ড হওয়ার মধ্য দিয়ে অনেক এগিয়ে গেছে। এখানকার শিপব্রেকিং ইয়ার্ড বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে উন্নত। কিন্তু এর পজিটিভ প্রচারণা নেই। বিশ্বে এই ভালো দিকগুলো ছড়িয়ে দেয়া যায়নি। আমরা চাই আপনারা এসব বিষয়গুলোও প্রচার করুন।
রবিবার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী সাগর উপকূলে অবস্থিত ফেরদৌস স্টীল শিপ ব্রেকিং এন্ড রিসাইক্লিং ইয়ার্ড পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন আমেরিকান হাইকমিশন বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
এদিন, সকাল ১১টায় এম্বাসেডর প্রতিনিধি দলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরামর্শদাতা এরিক গিলান, অর্থনৈতিক কর্মকর্তা রিচার্ড রাসমুসেন, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ ফিরোজ আহমেদ, অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞ আসিফ আহমেদ ফেরদৌস স্টিল এন্ড রিসাইক্লাস শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে এসে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান, বাংলাদেশ শিপব্রেকার্স এন্ড রিসাইক্লাস এসোসিয়েশন (বিএনবিআরএ) ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমজাদ হোসেন চৌধুরী, লিয়াকত আলী চৌধুরী, মাস্টার আবুল কাসেম, ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিন ইন্ড্রাস্ট্রিজের সিইও ফেরদৌস ওয়াহিদ, সিও আসাদুজ্জামান সাইমন, ম্যানেজার ইউসুফ চৌধুরী ও বিএসবিআরএ সেক্রেটারি নাজমুল ইসলাম।
প্রতিনিধি দলের মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরামর্শদাতা এরিক গিলান, অর্থনৈতিক কর্মকর্তা রিচার্ড রাসমুসেন বলেন, আগামীতে বিএনপি কিংবা জামায়াত যারাই ক্ষমতায় আসুক না কেন তাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড গুলোর ইতিবাচক দিকগুলো বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে হবে।
খালেদ / পোস্টকার্ড ;



















