০২:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পর্যটকদের নিরাপত্তায় কঠোর সীতাকুণ্ড প্রশাসন, গুলিয়াখালী সৈকতে অবৈধ দখলদারমুক্ত অভিযান

সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের ওপর হামলার ঘটনার পর কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। রবিবার (১০ মে) বিকেলে সৈকত এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০টি অবৈধ দোকান ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার সকালে সৈকতে দোলনায় বসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে পর্যটকদের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ব্যবসায়ীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে ঢাকা থেকে আসা পর্যটকদের ওপর হামলা চালায়, যাতে ১২ জন পর্যটক আহত হন। এই ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মাথায় রবিবার বিকেল ৫টায় সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

ইউএনও মো. ফখরুল ইসলাম জানান, গুলিয়াখালী বীচ সরকারি সম্পত্তি এবং এখানে গড়ে ওঠা সব দোকানই ছিল অবৈধ। সরকারি জমি পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবেই এই অভিযান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সৈকতের শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো প্রকার অবৈধ দখলদারিত্ব বরদাশত করা হবে না।

অভিযান চলাকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুন, সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলামসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে মাইকিং করে মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছিল।

পর্যটকদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কালাম ও সুমন নামে দুইজনকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সৈকত এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরে আসায় পর্যটকরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যটন স্পটগুলোর পরিবেশ সুন্দর রাখতে এ ধরনের তদারকি নিয়মিত চলবে।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

জলিল টেক্সটাইলে তৈরি হবে অত্যাধুনিক অস্ত্র, আজ হস্তান্তর

পর্যটকদের নিরাপত্তায় কঠোর সীতাকুণ্ড প্রশাসন, গুলিয়াখালী সৈকতে অবৈধ দখলদারমুক্ত অভিযান

প্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৫৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের ওপর হামলার ঘটনার পর কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। রবিবার (১০ মে) বিকেলে সৈকত এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৪০টি অবৈধ দোকান ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার সকালে সৈকতে দোলনায় বসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে পর্যটকদের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ব্যবসায়ীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে ঢাকা থেকে আসা পর্যটকদের ওপর হামলা চালায়, যাতে ১২ জন পর্যটক আহত হন। এই ঘটনার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মাথায় রবিবার বিকেল ৫টায় সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে বড় ধরনের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

ইউএনও মো. ফখরুল ইসলাম জানান, গুলিয়াখালী বীচ সরকারি সম্পত্তি এবং এখানে গড়ে ওঠা সব দোকানই ছিল অবৈধ। সরকারি জমি পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবেই এই অভিযান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সৈকতের শৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো প্রকার অবৈধ দখলদারিত্ব বরদাশত করা হবে না।

অভিযান চলাকালে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবদুল্লাহ আল মামুন, সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলামসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও আনসার সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সকালে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে মাইকিং করে মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছিল।

পর্যটকদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওসি মহিনুল ইসলাম জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কালাম ও সুমন নামে দুইজনকে ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সৈকত এলাকায় শৃঙ্খলা ফিরে আসায় পর্যটকরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যটন স্পটগুলোর পরিবেশ সুন্দর রাখতে এ ধরনের তদারকি নিয়মিত চলবে।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;