চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে সাধারণ যাত্রী মনে করে পুলিশের মাইক্রোবাসে ডাকাতির চেষ্টা চালিয়েছে একদল ডাকাত। তবে পুলিশের সতর্কতায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং ধাওয়া করে রবিউল হোসেন (২৮) নামে ১০ মামলার এক দুর্ধর্ষ ডাকাতকে হাতেনাতে গ্রেফতার করা হয়েছে।
শুক্রবার (৮ মে) দিবাগত রাত তিনটার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের তুলাতুলী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, সীতাকুণ্ড মডেল থানার একদল সদস্য একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে টহলে ছিলেন। ডাকাত দলটি সাধারণ যাত্রীবাহী গাড়ি মনে করে পুলিশ সদস্যদের বহনকারী ওই মাইক্রোবাসটিকে লক্ষ্য করে লোহার পাইপ নিক্ষেপ করে।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, ডাকাতেরা মহাসড়কে গাড়ি থামানোর জন্য এক বিশেষ কৌশল অবলম্বন করে। তারা চলন্ত গাড়িতে রড বা লোহার পাইপ ছুড়ে মারে। বিকট শব্দ হওয়ায় চালক আতঙ্কিত হয়ে বা যান্ত্রিক ত্রুটি মনে করে গাড়ি থামালে ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ডাকাতরা যাত্রীদের জিম্মি করে সব লুট করে নেয়। শুক্রবার রাতেও তারা একই কায়দায় পুলিশের গাড়িতে পাইপ ছুড়েছিল। কিন্তু পুলিশ সদস্যরা তাৎক্ষণিক গাড়ি থামিয়ে ডাকাতদের ধাওয়া করলে রবিউল হোসেন ধরা পড়ে।
গ্রেফতার রবিউল হোসেন উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের তুলাতলী গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশের রেকর্ড অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতিসহ মোট ১০টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে তিনটি ডাকাতি মামলায় তাকে পরোয়ানাভুক্ত আসামি হিসেবে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতেও সীতাকুণ্ড পৌর সদরের নুনাছড়া এলাকায় বিয়েবাড়ি থেকে ফেরার পথে একটি মাইক্রোবাসে ঠিক একই কায়দায় ডাকাতির ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনাতেও ডাকাতরা রড ছুড়ে গাড়ি থামিয়ে যাত্রীদের সর্বস্ব লুট করে। পুলিশ ধারণা করছে, এই চক্রটিই মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে দীর্ঘ দিন ধরে সক্রিয় রয়েছে।
খালেদ / পোস্টকার্ড ;



















