০৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে নিশংসভাবে নিহত শিশু ইরার পরিবারের পাশে এমপি আসলাম চৌধুরী, ন্যায়বিচারের দৃঢ় আশ্বাস

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পারিবারিক বিরোধের জেরে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার সাত বছর বয়সী শিশু জান্নাতুল নাইমা ইরার শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আসলাম চৌধুরী।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর তিনি উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের মসজিদ্দা মাস্টার এলাকায় ইরার বাড়িতে গিয়ে নিহতের বাবা-মায়ের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

এই সময় আসলাম চৌধুরী নিহত ইরার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন এবং তিনি পরিবারের অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। তিনি বলেন, “একটি সাত বছরের নিস্পাপ শিশুর ওপর এমন নৃশংসতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সীতাকুণ্ডের মাটিতে এ ধরনের অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হতে হবে।”

ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত বাবু শেখ সম্পর্কে আসলাম চৌধুরী বলেন, “ঘাতক বাবু শেখ একজন পেশাদার অপরাধী বা মানসিকভাবে বিকৃত হতে পারে, যা স্থানীয়দের আলোচনায় উঠে এসেছে। ইতিপূর্বেও সে বিভিন্ন মামলায় সাজা খেটেছে। এই নৃসংশ ঘটনার জন্য তাকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।” তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে সীতাকুণ্ডে এমন জঘন্য অপরাধ রোধে সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে।

প্রসঙ্গত : গত রোববার সীতাকুণ্ডের বোটানিক্যাল গার্ডেন ইকো-পার্ক সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রতিবেশী বাবু শেখ (৪৮) শিশু ইরাকে নিয়ে গিয়ে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন। টানা তিন দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে গত বুধবার ইরার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ ও সংগৃহীত আলামতের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত অভিযান চালিয়ে ঘাতক বাবু শেখকে গ্রেফতার করে। এরই মধ্যে সে আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।

নিহত ইরার বাবা পেশায় একজন অটোরিকশা চালক। কন্যাসন্তানকে হারিয়ে এই নিম্নবিত্ত পরিবারটি বর্তমানে গভীর শোকে দিশেহারা।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

জলিল টেক্সটাইলে তৈরি হবে অত্যাধুনিক অস্ত্র, আজ হস্তান্তর

সীতাকুণ্ডে নিশংসভাবে নিহত শিশু ইরার পরিবারের পাশে এমপি আসলাম চৌধুরী, ন্যায়বিচারের দৃঢ় আশ্বাস

প্রকাশিত হয়েছে: ০৭:০০:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে পারিবারিক বিরোধের জেরে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার সাত বছর বয়সী শিশু জান্নাতুল নাইমা ইরার শোকসন্তপ্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আসলাম চৌধুরী।

শুক্রবার জুমার নামাজের পর তিনি উপজেলার কুমিরা ইউনিয়নের মসজিদ্দা মাস্টার এলাকায় ইরার বাড়িতে গিয়ে নিহতের বাবা-মায়ের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

এই সময় আসলাম চৌধুরী নিহত ইরার বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সান্ত্বনা দেন এবং তিনি পরিবারের অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে তাদের হাতে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন। তিনি বলেন, “একটি সাত বছরের নিস্পাপ শিশুর ওপর এমন নৃশংসতা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। সীতাকুণ্ডের মাটিতে এ ধরনের অপরাধের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হতে হবে।”

ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত বাবু শেখ সম্পর্কে আসলাম চৌধুরী বলেন, “ঘাতক বাবু শেখ একজন পেশাদার অপরাধী বা মানসিকভাবে বিকৃত হতে পারে, যা স্থানীয়দের আলোচনায় উঠে এসেছে। ইতিপূর্বেও সে বিভিন্ন মামলায় সাজা খেটেছে। এই নৃসংশ ঘটনার জন্য তাকে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।” তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতে সীতাকুণ্ডে এমন জঘন্য অপরাধ রোধে সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে।

প্রসঙ্গত : গত রোববার সীতাকুণ্ডের বোটানিক্যাল গার্ডেন ইকো-পার্ক সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রতিবেশী বাবু শেখ (৪৮) শিশু ইরাকে নিয়ে গিয়ে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা করে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করেন। টানা তিন দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে গত বুধবার ইরার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ ও সংগৃহীত আলামতের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত অভিযান চালিয়ে ঘাতক বাবু শেখকে গ্রেফতার করে। এরই মধ্যে সে আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে।

নিহত ইরার বাবা পেশায় একজন অটোরিকশা চালক। কন্যাসন্তানকে হারিয়ে এই নিম্নবিত্ত পরিবারটি বর্তমানে গভীর শোকে দিশেহারা।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;