• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে বাস-লরির সংঘর্ষে শিশুসহ ৬ যাত্রী নিহত, আহত ৭ চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে বাস-লরি সংঘর্ষে নিহত ৫, আহত ৯ এক দিনে এক লাখ গাছ রোপণ, ১৫ হাজার সহকর্মী নিয়ে মাঠে নামছেন চট্টগ্রামের ডিসি জীবন থাকতে যে ভুলগুলো শুধরে নেওয়া জরুরি. তওবা কবুল না হওয়ার সময়সমূহ সীতাকুণ্ডে লায়ন্স ক্লাব অব চিটাগাং লিবার্টির একগুচ্ছ সেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত আবারো যৌতুকের বলি , প্রাণ গেল ৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বা তানিয়ার! মাত্র তিন বছরের মাথায় যৌতুকের বলি গৃহবধূ আঁখি, প্রয়োজন পারিবারিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন দুই দিনব্যাপী ৩০ শিশুর বিনামূল্যে ঠোঁট ও তালু কাটা সার্জারি ক্যাম্প অনুষ্ঠিত সীতাকুণ্ডে লায়ন্স ক্লাবের দিনব্যাপী বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্পে সেবা পেলেন ৩০৫ জন, ৫০ জনের ছানি অপারেশনের সুযোগ সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পিতা মাওলানা এটিএম সিরাজুল ইসলামের ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলের শোক

ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি

ইসলাম ডেস্ক ।। / ৭৩ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

ইসলাম ধর্মে মা-বাবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা বা তাদের অবাধ্য হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর ও জঘন্য গুনাহ। পবিত্র কোরআনে মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি তাদের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে ‘উফ’ শব্দটি বলতেও কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে। এমনকি মা-বাবার অবাধ্য হওয়ার শাস্তি হিসেবে তাদের জন্য জান্নাত হারাম করা হয়েছে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে এর ভয়াবহ পরিণতির কথা বলা হয়েছে।

কোনো সন্তান যদি মায়ের গায়ে হাত তোলে বা নির্যাতন করে, তবে তা কেবল সামাজিক অপরাধ বা পারিবারিক কলহ নয়, বরং ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতেও চরম ধিক্কারজনক ও জাহান্নামে নিয়ে যাওয়ার মতো অপরাধ। এ ধরনের পরিস্থিতিতে একজন সচেতন মুসলিম হিসেবে আপনার করণীয় কী হতে পারে, তা ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে নিচে তুলে ধরা হলো:

  • মাকে সবার আগে নিরাপদ করা: মায়ের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তা বিপন্ন হলে সবার আগে তাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া বা রক্ষা করা আপনার প্রধান দায়িত্ব। নির্যাতিত ও অসহায় ব্যক্তিকে রক্ষা করা ইসলামে জরুরি কর্তব্য।

  • সরাসরি বাধা দেওয়া ও প্রতিহত করা: ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী অন্যায় দেখলে তা সাধ্যমতো বাধা দিতে হবে। নবীজি (সা.) হাত দিয়ে, মুখে বা অন্তর দিয়ে অন্যায় প্রতিহত করার শিক্ষা দিয়েছেন। তাই ভাইটিকে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কাজ থেকে নিবৃত করতে হবে।

  • পরিবার ও সমাজের গণ্যমান্যদের সহায়তা নেওয়া: বিষয়টি একা সামলানো না গেলে পরিবারের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্য, প্রভাবশালী আত্মীয়-স্বজন বা এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানাতে হবে। তাদের মাধ্যমে ওই ভাইকে বুঝিয়ে সংশোধনের চেষ্টা করা যেতে পারে।

  • নির্জনে বুঝিয়ে আল্লাহর আজাবের ভয় দেখানো: সুযোগ বুঝে ওই ভাইকে একান্ত ডেকে নরম ভাষায় আল্লাহর আজাব, মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি এবং হাদিসে বর্ণিত কঠোর শাস্তির কথা বুঝিয়ে তওবা করার তাগিদ দিতে হবে।

  • আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নেওয়া: যদি ওই ভাই আসক্ত বা সহিংস হয়ে থাকে এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বা মাকে বাঁচাতে প্রয়োজনে পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো সম্পূর্ণ জায়েজ রয়েছে।

সংক্ষেপে, মা-বাবার সঙ্গে যেকোনো অসদাচরণ এবং বিশেষ করে মায়ের ওপর শারীরিক নির্যাতন কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। শরীয়তের বিধান ও মানবতার খাতিরে মাকে সুরক্ষা দেওয়া এবং অপরাধী সন্তানকে কঠোরভাবে থামানো ও সুপথে ফিরিয়ে আনার জন্য সাধ্যমতো সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..