• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৩ পূর্বাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
মিলাদ শরীফে প্রিয়নবী ﷺ-এর পাশাপাশি অলি-আউলিয়াদের প্রতি সালাম, আবেগ বনাম শরীয়তের বিধান আন্তর্জাতিক বিদায় ম্যাচে মেসির অনন্য অভিজ্ঞতা, হলুদ ও লাল কার্ড দিলেন রেফারি এনসিটি ইজারা চুক্তি কাল, চট্টগ্রাম বন্দর অচলের হুমকি বিএনপি-জামায়াত ও শ্রমিকদের ডায়াবেটিক হাসপাতালের টাকা আত্মসাৎ, দুদকের মামলা সীতাকুণ্ডের মঞ্জুর আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার চট্টগ্রামের আভিজাত্য-মেজবান, ঐতিহ্যের শেকড় সন্ধানে সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউপি নির্বাচনে মেম্বার প্রার্থী মোস্তাফিজুল হাকিম ইসলামে মা-বাবার অবাধ্যতার ভয়াবহ পরিণতি ডিভোর্সের আগে ও পরে ইসলাম যেসব নির্দেশনা দেয় ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ের গুরুত্ব ও ১০টি উপকারিতা

ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ের গুরুত্ব ও ১০টি উপকারিতা

ইসলাম ডেস্ক ।। / ২৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬

ইসলাম ধর্মে বিয়ে কেবল একটি সামাজিক বা পারিবারিক বন্ধন নয়, বরং এটি মানুষের নৈতিকতা, চারিত্রিক পবিত্রতা, মানসিক প্রশান্তি এবং পারিবারিক জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। কোরআন ও হাদিসের আলোকে দাম্পত্য জীবনকে ভালোবাসা, দয়া, দায়িত্ববোধ ও পারস্পরিক সহযোগিতার এক অনন্য মাধ্যম হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। একজন মানুষ বিয়ের মাধ্যমে যেসব গুরুত্বপূর্ণ উপকারিতা লাভ করে থাকে, তা নিচে আলোচনা করা হলো:

  • দ্বীন ও চরিত্র রক্ষায় সহায়ক: বিয়ে মানুষের দৃষ্টি সংযত রাখতে এবং লজ্জাস্থান হিফাযত করতে সাহায্য করে, যা মানুষের দ্বীনের অর্ধেক পূরণের সমতুল্য।

  • নবীজির সুন্নত পালন: এটি নবী-রাসুলদের জীবনাচারের একটি অংশ, যা ইসলামে সুন্নাহসম্মত জীবনব্যবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়।

  • অবৈধ সম্পর্ক ও গুনাহ থেকে সুরক্ষা: মানুষের স্বাভাবিক যৌন চাহিদা পূরণের জন্য ইসলামে একমাত্র বৈধ পথ হলো বিয়ে।

  • স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভালোবাসা ও মমতা তৈরি: কোরআনে দাম্পত্য সম্পর্ককে আল্লাহর নিদর্শন হিসেবে বলা হয়েছে, যেখানে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে পারস্পরিক ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি হয়।

  • মানসিক প্রশান্তি লাভ: বিয়ের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য হলো স্বামী-স্ত্রীর পারস্পরিক সম্পর্কের মাধ্যমে উভয়ের মনে শান্তি ও স্বস্তি খুঁজে পাওয়া।

  • একে অপরের সুরক্ষা ও আশ্রয়: পোশাক যেমন মানুষকে ঢেকে রাখে, তেমনি স্বামী-স্ত্রীও একে অপরের গোপনীয়তা রক্ষা ও বিপদে নিরাপত্তা দিয়ে পারস্পরিক আশ্রয় হয়ে ওঠেন।

  • রিজিক ও কল্যাণের আশা: আর্থিক সংকটের আশঙ্কা সত্ত্বেও বিয়ে করলে আল্লাহতায়ালা নিজ অনুগ্রহে মানুষকে অভাবমুক্ত করে দেন বলে কোরআনে আশ্বাস রয়েছে।

  • বৈধ পরিবার ও বংশধারা প্রতিষ্ঠা: বিয়ের মাধ্যমে একটি বৈধ পরিবার গঠিত হয় এবং সন্তান-সন্ততির মাধ্যমে সুশৃঙ্খলভাবে মানব বংশধারা অব্যাহত থাকে।

  • নেককার জীবনসঙ্গী কল্যাণের সহায়ক: একজন পুণ্যময়ী বা নেককার জীবনসঙ্গী দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ, যিনি ইবাদত ও নৈতিকতার পথে একে অপরকে সহযোগিতা করেন।

  • নেককার সন্তানের দোয়া: সৎ ও আল্লাহভীরু সন্তান রেখে যাওয়ার মাধ্যমে মৃত্যুর পরও বাবা-মা সদকায়ে জারিয়াস্বরূপ তাদের দোয়ার বরকত ও উপকার পেতে থাকেন।

সংক্ষেপে, ইসলামে বিয়ে কেবল জীবনসঙ্গী নির্বাচনের মাধ্যম নয়, বরং এটি একটি সুশৃঙ্খল পারিবারিক জীবন ও নৈতিক সমাজ গঠনের অপরিহার্য শর্ত।

খালেদ / পোস্টকার্ড ; 


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..