• শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:০৪ অপরাহ্ন
  • |
  • ⇅ Bangla Converter
  • |
শিরোনাম :
সীতাকুণ্ডে কুমিরা ঘাটঘর থেকে ১১শ বস্তা চোরাই সার উদ্ধার আত্মশুদ্ধি ছাড়া ব্যক্তি ও সমাজের প্রকৃত সংস্কার সম্ভব নয় : কক্সবাজারে পীর আল্লামা সৈয়দ সাবির শাহ্‌ জাহাজভাঙা শিল্পে সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণের দাবি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ লেখা যাবে না: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এসএসসি পরীক্ষার ফল জালিয়াতি: খাতায় ‘০’ পেলেও রেজাল্টে ৪৫, তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি সীতাকুণ্ডে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষ ও অস্ত্র মহড়া ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা, গ্রেপ্তার ৪ সীতাকুণ্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৪০ দোকান ভস্মীভূত, দেড় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি বৃহত্তর চট্টগ্রামে ৭ ‘সাব-জেল’ তৈরি করতে চায় কারা কর্তৃপক্ষ

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ লেখা যাবে না: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

ঢাকা অফিস, পোস্টকার্ড ।। / ৩৯ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সরকারের দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র এবং সারসংক্ষেপ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার না করার নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি করা এক জরুরি পরিপত্রে এই তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব তানিয়া আফরোজ পরিপত্রটিতে স্বাক্ষর করেন।

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপ প্রেরণের ক্ষেত্রে পদবির পূর্বে সম্মানসূচক শব্দ হিসেবে যথাক্রমে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতরূপে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। অর্থাৎ, এখন থেকে সরকারি নথিপত্রে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’ বা ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতি’ না লিখে কেবল ‘প্রধানমন্ত্রী’ বা ‘রাষ্ট্রপতি’ পদবিটি সরাসরি উল্লেখ করতে হবে।

সরকারের দাপ্তরিক যোগাযোগ ও নথিপত্রে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদধারীদের সম্বোধনের ক্ষেত্রে আধুনিকতা বজায় রাখা এবং একটি অভিন্ন সহজ রীতিনীতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়।

পরিপত্রে এই সিদ্ধান্তটিকে ‘অতীব গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এটি অনতিবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনাটি ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সিনিয়র সচিব ও সচিব, সকল বিভাগীয় কমিশনার, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক (DC) এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (UNO) কাছে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সচিবদের তাঁদের অধীনস্থ সকল দপ্তর ও সংস্থাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও যথাযথ নির্দেশনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

খালেদ / পোস্টকার্ড ;


এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..