
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে গণপরিবহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য যেন থামছেই না। গতকাল রবিবার (৩০ আগস্ট) সকালে ১৭ নম্বর রুটের একটি বাসে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় এবং এর প্রতিবাদ করায় বেশ ক'জন কলেজ শিক্ষার্থীকে হেনস্তা করার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়াও প্রায় সময় হেনস্থার শিকার হচ্ছে স্কুল / কলেজ শিক্ষার্থীরা।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সকালে স্কুল যাওয়ার পথে তিনি ১৭ নম্বর রুটের একটি বাসে ওঠেন। বাসটির কন্ডাক্টর ও হেলপাররা সরকারি বা নির্ধারিত ভাড়ার তোয়াক্কা না করে যাত্রীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছিলেন। সাধারণত ৩০ টাকার ভাড়া ৪০ টাকা এবং ৪০ টাকার ভাড়া ৫০ টাকা রাখা হচ্ছিল। ওই শিক্ষার্থীর ১৫ টাকার ভাড়ার বিপরীতে হেলপার ২০ টাকা দাবি করে।
নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ৫ টাকা বেশি দিতে অস্বীকৃতি জানালে বাসের চালকের সহকারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। বাসের ভেতর বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে বাস থেকে নেমে যাওয়ার পরেও ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে চরম অশালীন ও দুর্ব্যবহার অব্যাহত রাখা হয়।
নগরের বিভিন্ন রুটে শিক্ষার্থীদের ওপর এমন মানসিক নির্যাতন এবং লাগামহীন ভাড়া আদায়ের নিত্যদিনের ঘটনায় সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি না থাকায় নৈরাজ্য আরও বাড়ছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা। অবিলম্বে ১৭ এবং ৮ নম্বর রুটসহ সকল গণপরিবহনে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কারীদের রুট পারমিট বাতিলের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও সাধারণ যাত্রীরা।
খালেদ / পোস্টকার্ড ;