
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের দাখিল পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। সীতাকুণ্ড উপজেলার ১৫টি মাদ্রাসার তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সর্বোচ্চ পাসের হার অর্জন করে উপজেলায় প্রথম স্থান দখল করেছে হযরত খাজা কালু শাহ্ ফাজিল মাদ্রাসা। অন্যদিকে, তুলনামূলক কম পাসের হার সত্ত্বেও সর্বোচ্চ সংখ্যক জিপিএ-৫ পেয়ে চমক দেখিয়েছে মাদ্রাসা-এ-মোহাম্মদিয়া আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা।
১. হযরত খাজা কালু শাহ্ ফাজিল মাদ্রাসা (নেহারিয়া কেন্দ্র): ১০০ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৯ জন পাস করেছে (পাসের হার ৮৯.২২%)। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯ জন।
২. আল-আমিন ইসলামিয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা: ৪১ জনের মধ্যে ৩৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে (পাসের হার ৮৭.৮০%)। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
৩. বাঁশবাড়িয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা: ৪২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩২ জন পাস করেছে (পাসের হার ৭৬.১৯%)। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
৪. বগাচতর নূরিয়া গনিউল উলুম ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা: ২৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২০ জন পাস করেছে (পাসের হার ৭৬.৯২%)। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন।
৫. মহানগর মীর নুরুল ইসলাম আদর্শ দাখিল মাদ্রাসা: ৪৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৬ জন পাস করেছে (পাসের হার ৭৫.০০%)। (কোনো জিপিএ-৫ নেই)।
পুরো উপজেলায় মোট ২০ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৫টি জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্ব দেখিয়েছে মাদ্রাসা-এ-মোহাম্মদিয়া আহমাদিয়া দাখিল মাদ্রাসা (পাসের হার ৬৩.০৮%)।
এছাড়া অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের মধ্যে:
তালিকার বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের ফলাফল হতাশাজনক, যেখানে পাসের হার ৫০% বা তার নিচে নেমে এসেছে:
উপজেলার ১৫টি মাদ্রাসায় পাসের হার সার্বিকভাবে ৪৫% থেকে ৮৯%-এর মধ্যে উঠানামা করেছে। তবে অর্ধেকেরও বেশি প্রতিষ্ঠানে (১৫টির মধ্যে ৯টিতে) কোনো শিক্ষার্থীই জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি। স্থানীয় শিক্ষাবিদদের মতে, নিয়মিত ক্লাসের উপস্থিতি ও শিক্ষার মান বৃদ্ধিতে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন।
খালেদ / পোস্টকার্ড;