
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মিয়ানমারে পাচারের সময় কোস্টগার্ডের অভিযানে জব্দ হওয়া বিপুল পরিমাণ সার, সিমেন্ট ও ডিজেলের প্রকৃত মালিকানা নিয়ে দেখা দিয়েছে অনিশ্চয়তা। ঘটনার এক সপ্তাহ পার হলেও আটক ১০ জন পাচারকারী জব্দকৃত পণ্যের মালিক সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারেননি। ফলে এসব মালামালকে ঘিরে তদন্তে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে।
গত ২৪ জুলাই বঙ্গোপসাগরের সীতাকুণ্ড উপকূলে অভিযান চালিয়ে কোস্টগার্ড দুটি নৌযান থেকে বিপুল পরিমাণ মালামাল জব্দ করে। অভিযানে ৩৬০ বস্তা টিএসপি সার, ২২০ বস্তা সিমেন্ট এবং প্রায় ১৩০ লিটার ডিজেল উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে দুই নৌযান থেকে ১০ জনকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে কোস্টগার্ড আটক ব্যক্তিদের সীতাকুণ্ড মডেল থানায় হস্তান্তর করলে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। তবে তদন্তের অগ্রগতিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জব্দকৃত পণ্যের প্রকৃত মালিকানা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদেও আটক ব্যক্তিরা মালামালের মালিক সম্পর্কে কোনো তথ্য দিতে পারেননি।
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মালামালগুলো অন্য কারও নির্দেশে পাচারের উদ্দেশ্যে বহন করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান মালামালের মালিকানা দাবি করেনি।
সীতাকুণ্ড মডেল থানা সূত্রে জানা গেছে, আদালতের নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত জব্দকৃত মালামাল কোস্টগার্ডের হেফাজতেই থাকবে। তদন্তে মালিকানা নিশ্চিত হলে এবং আদালতের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা মিললে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকায় চোরাচালান রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি আরও জোরদারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।
খালেদ // পোস্টকার্ড ;