
কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুণ্ড।।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে পানিতে ডুবে চার শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একের পর এক এমন ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা. আলতাফ হোসেন জানান, কুমিরা মোল্লাপাড়া গ্রামের আরিফ হাসান ইলিয়াসের ছেলে তাইফুল ইসলাম ইসবাত (৩) বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে মারা যায়। তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. সোহেলের মেয়ে আরিজা বিনতে সোহেল (৩) সকাল ১১টার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে পুকুরে ভাসতে দেখে উদ্ধার করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে ২৪ এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিরা ইউনিয়নের রহমতপুর গ্রামের একটি ভাড়াটিয়া বাড়িতে খেলাধুলার সময় মাসুদের ছেলে আব্দুল্লাহ (৪) ও আব্দুল মালেকের মেয়ে সীমা আক্তার (৯) অসতর্কতাবশত পানিতে পড়ে যায়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাদের মরদেহ পানিতে ভেসে ওঠে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন জানান, পরিবারগুলো এলাকায় নতুন ভাড়াটিয়া হওয়ায় প্রথমে কেউ চিনতে পারেননি। তবে এমন মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।
ডা. আলতাফ হোসেন বলেন, গরমের সময় শিশুরা বেশি পানির কাছে যায় বা নামার চেষ্টা করে। অসতর্কতার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে। তাই শিশুদের প্রতি পরিবারের সদস্যদের সর্বক্ষণ নজর রাখতে হবে।
একই ইউনিয়নে অল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক শিশুর মৃত্যু স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
খালেদ / পোস্টকার্ড ;
সীতাকুণ্ডে তিন দিনে পানিতে ডুবে চার শিশুর মৃত্যু, অসতর্কতায় বাড়ছে শঙ্কা
কাইয়ুম চৌধুরী, সীতাকুণ্ড।।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় মাত্র তিন দিনের ব্যবধানে পানিতে ডুবে চার শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। একের পর এক এমন ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডা. আলতাফ হোসেন জানান, কুমিরা মোল্লাপাড়া গ্রামের আরিফ হাসান ইলিয়াসের ছেলে তাইফুল ইসলাম ইসবাত (৩) বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে মারা যায়। তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. সোহেলের মেয়ে আরিজা বিনতে সোহেল (৩) সকাল ১১টার দিকে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে পুকুরে ভাসতে দেখে উদ্ধার করেন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে ২৪ এপ্রিল শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিরা ইউনিয়নের রহমতপুর গ্রামের একটি ভাড়াটিয়া বাড়িতে খেলাধুলার সময় মাসুদের ছেলে আব্দুল্লাহ (৪) ও আব্দুল মালেকের মেয়ে সীমা আক্তার (৯) অসতর্কতাবশত পানিতে পড়ে যায়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে তাদের মরদেহ পানিতে ভেসে ওঠে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আলাউদ্দীন জানান, পরিবারগুলো এলাকায় নতুন ভাড়াটিয়া হওয়ায় প্রথমে কেউ চিনতে পারেননি। তবে এমন মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।
ডা. আলতাফ হোসেন বলেন, গরমের সময় শিশুরা বেশি পানির কাছে যায় বা নামার চেষ্টা করে। অসতর্কতার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে। তাই শিশুদের প্রতি পরিবারের সদস্যদের সর্বক্ষণ নজর রাখতে হবে।
একই ইউনিয়নে অল্প সময়ের ব্যবধানে একাধিক শিশুর মৃত্যু স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
খালেদ / পোস্টকার্ড ;