৩০ টাকার ঔষুধ ৩১৫ টাকা, চট্টগ্রামের ওষুধের দোকান গুলোর খুটির জোর কোথায়? - কমল দাশ

৩০ টাকার ঔষুধ ৩১৫ টাকা, চট্টগ্রামের  ওষুধের দোকান গুলোর খুটির জোর কোথায়? - কমল দাশ

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন এবং চট্টগ্রাম পুলিশ প্রশাসনের সবিনয়ে সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। এইভাবে সবকিছু চলতে দেওয়া যায় না। একটা স্বাধীন দেশে নাগরিকদের সবকিছুর বিষয়ে অধিকার আছে।

৩০ টাকার ঔষুধ পরিচিত হলে ৩০০ থেকে ৩১৫ টাকায় বিক্রি করছে। অপরিচিত হলে ঔষুধ নাই বলে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে হাজারী গলির মতো ঔষুধের দোকান গুলোতে। শতশত দোকানগুলো থেকে এমন আচরণ আশা করা যায় না ।

কৃত্রিম সংকট করে ঔষুধের দশগুণ বৃদ্ধি করা কতটা অমানবিক কতটা অমানুষের কাজ সেটা ভুক্তভোগীরা একমাত্র বুঝতে পারে। তাই আপনাদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি ,যারা নাগরিক অধিকারের উপর এই মহামারিতে ব্যবসায় নেমেছে অধিক মুনাফা লাভের আশায় তাদের টুঁটি চেপে ধরুন।

আমি জানি হয়তো আপনারা সবাই জানেন, চট্টগ্রামের ঔষুধের দোকান গুলোর খুটির জোর কোথায়। তারা মানুষের জীবন বাঁচানোর ঔষুধ বিক্রি করে বলে ঔষুধের দোকান বন্ধ রেখে নানা আন্দোলন করে নানা সময়ে তাই খুব প্রয়োজনীয় বলে তারা মানুষকে জিম্মি করে রেখেছে সবকিছুর বিষয়ে।

যে ঔষুধ ফার্মেসিতে পাওয়া যাওয়ার কথা সে ঔষধ ঔষুধের দোকানের বারান্দায় কিংবা রাস্তায় পাওয়া যাচ্ছে বেশি দামে এই সিন্ডিকেটের সাথে কারা জড়িত ঔষুধের দোকান গুলো তল্লাশি করলে ঔষুধ গুলো অবশ্যই পাওয়া যাবে এবং তাদের দোকানগুলো তল্লাশি করা হউক।

প্লিজ প্লিজ মানুষকে বাঁচার সুযোগ করে দিন। তা না হলে জনগণ রাস্তায় নেমে গেলে কারো রক্ষা হবে না।এখনই ব্যবস্থা নিন নিত্য প্রয়োজনীয় ঔষুধ গুলোর দাম যা ছিল তা যেন নেওয়া হয় যতই পরিস্থিতি কঠিন হোক না কেন, কোন অজুহাত না দেখিয়ে।

লেখক. সাংবাদিক