ঐক্যবদ্ধ সভায় সীতাকুণ্ড আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত

মোহাম্মদ আলাউদ্দীন ।।

ঐক্যবদ্ধ সভায় সীতাকুণ্ড আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত
সীতাকুণ্ড আওয়ামীলীগের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত
দীর্ঘ ৭ মাস পর সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামী লীগের দ্বিধাবিভক্ত নেতৃবৃন্দ একত্রিত হয়ে কার্যকরী সংসদের সভা সম্পন্ন করেছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে দলীয় নেতাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। উপজেলা আ. লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ ইসহাক ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়া দুইভাগে বিভক্ত হয়ে দলীয় কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন।
গতকাল সোমবার কার্যকরী পরিষদের সভায় নেতারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে তাদের মতামত উপস্থাপন করেন। সাধারণ নেতা-কর্মীদের অভিযোগ ছিল, সীতাকুণ্ড উপজেলার ইউনিয়ন ও পৌরসভা আওয়ামী লীগের কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় তৃণমুল পর্যায়ে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক তৎপরতা ঝিমিয়ে পড়েছে। ফলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়া ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটির কোনো সদস্যই সক্রিয় নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের আগামী জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে মোয়াদোত্তীর্ণ সকল কমিটি সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিলেও স্থানীয় পর্যায়ে সম্মেলন করার কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। অবশেষে গতকাল নেতারা সম্মিলিতভাবে আলোচনায় অংশ নেয়।
সীতাকুণ্ড পৌর মিলনায়তনে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ ইসহাকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়ার পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সাংসদ দিদারুল আলম, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আ. লীগের দপ্তর সম্পাদক মহিউদ্দিন বাবলু, সদস্য মোহাম্মদ ইদ্রিস, উপজেলা আ. লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ম ম দিলসাদ, এইচ এম তাজুল ইসলাম নিজামী, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদ মিয়া, সদস্য ইঞ্জি. আজিজুল হক, ছাদাকাত উল্লা মিয়াজী, দিদারুল আলম, আরিফুল আলম রাজু, শ্রম সম্পাদক আজম খান প্রমুখ।
সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জাতীয় শোকদিবস পালন এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এছাড়া সেপ্টেম্বর থেকে উপজেলার প্রতিটি ওয়ার্ডে সদস্য সংগ্রহ অভিযান ও নবায়ন এবং কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা আ. লীগের সম্মেলন করার সিদ্ধান্ত হয়।
সীতাকুণ্ড উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়া বলেন, অনেকদিন ধরে কোনো কাউন্সিল না হওয়ায় নেতাকর্মীরা ঝিমিয়ে পড়েছিল। তবে কাউন্সিলের সময় ঘনিয়ে আসায় নেতাকর্মীরা আবার চাঙা হয়ে উঠেছে।